বিশ্বের চতুর্থ ব্যক্তির এইচআইভি মুক্ত হওয়ার কথা জানালেন চিকিৎসকরা

বিশ্বের চতুর্থ ব্যক্তির এইচআইভি মুক্ত হওয়ার কথা জানালেন চিকিৎসকরা
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে আরও একজন এইচআইভি মুক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ওই ব্যক্তি ১৯৮০ এর দশকে এইডসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর আগে আরও তিনজন এই মারণব্যাধি থেকে মুক্তি লাভ করেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

এইচআইভি মুক্ত হওয়া ৬৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তিনি এইচআইভি ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ তিনি মনে করছেন, তার শরীরে ভাইরাসটি আর পাওয়া যাবে না।

এক বিবৃতিতে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘যখন ১৯৮৮ সালে আমার এইচআইভি ধরা পড়েছিল তখন অন্য অনেকের মতো আমিও ভেবেছিলাম এটির পরিণতি মৃত্যু। আমি কখনোই ভাবিনি যে আমার আর এইচআইভি নেই, সেই দিন দেখতে আমি বেঁচে থাকব।’

তাকে তার এইচআইভির জন্য নয়, ৬৩ বছর বয়সে ব্লাড ক্যান্সার লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে থেরাপি দেওয়া হয়েছিল।

তার মেডিকেল টিম সিদ্ধান্ত নেয় যে, তার ক্যান্সারযুক্ত রক্তকণিকা প্রতিস্থাপনের জন্য তার একটি অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। কাকতালীয়ভাবে, একজন ভাইরাস প্রতিরোধী দাতার কাছ থেকে অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। ট্রান্সপ্লান্টের পরে সিটি অব হোপের রোগীকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। তিনি এখন ১৭ মাসেরও বেশি সময় ধরে সুস্থ।

এ বিষয়ে ডা. জনা ডিক্টার বলেন, ‘আমরা তাকে জানাতে পেরে রোমাঞ্চিত হয়েছি যে, তার এইচআইভি আর নেই। তাকে আর অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না, তিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিচ্ছিলেন।’

২০১১ সালে বার্লিনের রোগী হিসেবে পরিচিত টিমোথি রে ব্রাউন ছিলেন এইচআইভি মুক্ত হওয়া বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি। গত তিন বছরে তিনটি একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com