জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ১০ ছাত্রের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।পুরোনো ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ ছাত্রকে গত ২৫ মার্চ রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার ধূপখোলা এলাকার একটি মেসে অভিযান চালিয়ে শিবির সন্দেহে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এরপর তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০তম সিন্ডিকেটে তাদের ওপর থেকে সেই বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা স্বাভাবিকভাবে আগের মতো শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

যেহেতু তারা জামিনে আসছে আর তারা সবাই আমাদের শিক্ষার্থী, সেই বিবেচনা করে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর আদালত থেকে তারা এখনো দোষী প্রমাণিত হয়নি। তাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
জবি ছাত্রী হলে তালা ফ্রি দিলেও চাবির মূল্য ৮০০ টাকা

বহিষ্কার প্রত্যাহার আদেশ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘তারা যেহেতু জামিনে রয়েছে, তাই তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। শিবির সন্দেহে আটক হওয়া জগন্নাথের শিক্ষার্থী ছিল ১১ জন। তাদের মধ্যে ১০ জন ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণে অনুমতির জন্য আবেদন করে। একজন যেহেতু আবেদন করেনি, তাই তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

‘যেহেতু তারা জামিনে আসছে আর তারা সবাই আমাদের শিক্ষার্থী, সেই বিবেচনা করে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর আদালত থেকে তারা এখনো দোষী প্রমাণিত হয়নি। তাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের দায়ে জবির ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার হওয়া ছাত্ররা

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ইব্রাহিম আলী, ইতিহাস বিভাগের ইসরাফিল হোসেন, লোকপ্রশাসন বিভাগের মো. মেহেদী হাসান (মাহদী), হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মো. রওসন উল ফেরদৌস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মেহেদী হাসান, বাংলা বিভাগের শ্রাবণ ইসলাম রাহাত, ব্যবস্থাপনা বিভাগের মো. ফাহাদ হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. ওবায়দুল ইসলাম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মো. শাহিন ইসলাম ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের আবদুর রহমান অলি।

এদিকে বাকি এক ছাত্র সংগীত বিভাগের আল-মামুন রিপন তার প্রত্যাহার আদেশের আবেদন করতে বিলম্ব হওয়ার এ ১০ জনের সঙ্গে তার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা যায়নি বলে জানা গেছে।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com