চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চতুর্মুখী সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মহাসড়কে প্রায় ২ ঘণ্টা যানচলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার মিঠাছরা বাজারের ইউটার্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ঝালকাটি জেলার কাঁঠালিয়া থানার মুশিরাবাদ গ্রামের লতিফ হাওলাদারের ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক সুমন হাওলাদার (৩৫), ঝালকাটি জেলার পশ্চিম মাদারবাড়ি থানার পোড়া মসজিদ গ্রামের শাহ আলমের ছেলে বাস সুপারভাইজার সোহাগ (৩৫)।
আহতরা হলেন- শাহরিয়া (১৮), শার্মিলা (১৬), রোমেলা (১২), উম্মে ছালমা (১৬), আলা মিয়া (১৪), মারিয়া (১৫), কামরুজ্জমান (৪২), আবদুর রশিদ (৫০), আয়েশা আক্তার (৪২), মিজান উদ্দিন (৬৩)। আহত বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার মিঠাছরা বাজার ইউটার্ন এলাকায় বুধবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা নীরব পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস শ্যামলী পরিবহন বাসকে ধাক্কা দেয়। এতে নীরব পরিবহনের বাসটি মহাসড়কের আইল্যান্ড পার হয়ে চট্টগ্রামমুখী হয়ে গেলে দ্রুতগামী একটি কাভার্ডভ্যান নীরব পরিবহনের বাসের সাথে ধাক্কা লাগে। অপরদিকে শ্যামলী পরিবহন বাসকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে এই চতুর্মুখী দুর্ঘটনা ঘটে। ৪টি গাড়ির সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত হয়।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন বলেন, বুধবার রাত ৩টার দিকে মহাসড়কের মিঠাছরা বাজার এলাকায় চারটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহনগুলো উদ্ধার করে ফাঁড়িতে আনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন