কর্ণফুলী রক্ষায় নদীতে ২০০ সাম্পান নিয়ে অনশন

কর্ণফুলী ও চাক্তাই খালের মোহনায় অনশন করেছেন প্রায় ২০০ সাম্পান মাঝি
কর্ণফুলী ও চাক্তাই খালের মোহনায় অনশন করেছেন প্রায় ২০০ সাম্পান মাঝি

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী রক্ষায় কর্ণফুলী ও চাক্তাই খালের মোহনায় অনশন করেছেন প্রায় ২০০ সাম্পান মাঝি এবং চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনসহ পাঁচ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আজ বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অনশন কর্মসূচি পালিত হয়।

এ সময় সাম্পান মাঝিরা বলেন, ২০১৯ সালে হাইকোর্ট রায় অনুসারে নদী ও তীর দখল করে গড়ে উঠা ২১৮১টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরে যাবে না। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদী তীরে থাকা আড়াই শতাধিক বনজ ও ওষুধি গাছ সংরক্ষণ করতে হবে। অন্যথায় এ নিয়ে আদালতে রিট করা হবে। যার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের উপদেষ্টা মেরিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নোমান আহমদ সিদ্দিকি বলেন, প্রাচ্যের রাণী কর্ণফুলী ৪০ লাখের বেশি মানুষের বর্জ্যে দখল ও দূষণে মারা পড়ছে। দশ বছর আগে ৯১০ মিটার কর্ণফুলী এখন ৫১০ মিটার। মৃতপ্রায় কর্ণফুলী নদীর দু’পাশে অবৈধ স্থাপনা অচিরেই উচ্ছেদ করতে হবে।

নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি ফরিদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান বলেন, আমাদের দাবি একটাই হাইকোর্টেও আদেশ মানতে হবে। জেলা প্রশাসন ২০১৪ সালে জরিপ করে চিহৃিত অবৈধ স্থাপনা ভূমি মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নদী কমিশনের ওয়েব সাইটে ঘোষিত তারপরও কেন উচ্ছেদ হবে না- সেই প্রশ্ন তুলেন বক্তারা।

পরে দুপুর ২টায় অনশনকারীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী।

অনশন চলাকালে বক্তব্য দেন, পরিবেশ সংগঠন গ্রিন ফিঙ্গার্স এর কো ফাউন্ডার আবু সুফিয়ান রাশেদ, রিতু ফারাবি, চট্টগ্রাম নদী ও রক্ষা আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য দিলরুবা খানম প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com