শিশুরা টিকা নেওয়ার সময় ভয় পায়নি : যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত

নারায়ণগঞ্জে টিকাদান কার্যক্রমে শিশুদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস।
নারায়ণগঞ্জে টিকাদান কার্যক্রমে শিশুদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস।ছবি : কালবেলা

নারায়ণগঞ্জে টিকাদান কার্যক্রমের প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেন, ‘শিশুরা খুবই সাহসী। তারা কেউই টিকা নেওয়ার সময় ভয় পায়নি। টিকাদানের এই কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে ভালো লেগেছে।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশে টিকা কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডোজ টিকা প্রদান করেছে।’ আজ বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ কালেক্টরেট প্রিপারেটরি স্কুলে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরের অংশীদারিত্ব উল্লেখ করে পিটার বলেন, ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ কোটি টিকা প্রদান করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে আমরা সহযোগিতার হাত আরও বৃদ্ধি করব।’

‘করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। বাংলাদেশের ৭৫ ভাগ জনগোষ্ঠী করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এসেছে। এটি খুবই বড় একটি নম্বর, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
পিটার ডি হাস, মার্কিন রাষ্ট্রদূত

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি বলেন, ‘আমরা বরাবরই ইপিআই কার্যক্রমে এগিয়ে ছিলাম। করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রমেও আমরা একইভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের অনেকেই লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছেন। এখনো যারা টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রয়েছেন, তাদেরও খুঁজে বের করে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।’

ওই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুশিউর রহমান। ইউএসএআইডির অর্থায়নে ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় কমিউনিটি হেলথ সিস্টেম প্রকল্পের আওতায় নারায়ণগঞ্জে শিশুদের করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ব্র্যাক।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com