প্রতিটি দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে থাকেন : বীর বাহাদুর উশৈসিং

বান্দরবানে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত গরীব-মেধাবী শিক্ষার্থী, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও গরীব অসহায় রোগীদের অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে রোববার বক্তব্য দেন বীর বাহাদুর উশৈসিং।
বান্দরবানে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত গরীব-মেধাবী শিক্ষার্থী, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও গরীব অসহায় রোগীদের অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে রোববার বক্তব্য দেন বীর বাহাদুর উশৈসিং। ছবি : কালবেলা

প্রতিটি দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে থাকেন বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান। বিদেশিরা বলেছিল করোনার কারণে পৃথিবীতে লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন আনা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে এত মানুষ মারা যায়নি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত গরিব-মেধাবী শিক্ষার্থী, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও গরিব অসহায় রোগীদের এককালীন অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে আজ রোববার সকালে বান্দরবান অরুণ সারকী টাউন হলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুরাইয়া আক্তার সুইটি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর, তিংতিং ম্যা, পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র সৌরভ দাশ শেখর ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের সদস্য অমর কান্তি দাশ প্রমুখ।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের সহায়তা করেছেন। অতীতে তার মতো কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। সোনার বাংলা গড়তে গেলে সোনার ছেলে প্রয়োজন। তাদের গড়তে সরকার বিনামূল্যে বই দিচ্ছেন, দিচ্ছেন শিক্ষা বৃত্তি।

বীর বাহাদুর উশৈসিং আরও বলেন, ভূমিহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। গরিব অসহায়দের দিচ্ছেন বিভিন্ন ভাতা। সরকার যে সহায়তা দিচ্ছে সেই টাকাগুলোর সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

পরে মন্ত্রী ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৪০ জন রোগীর প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকা করে ২০ লাখ টাকার অনুদানের চেক দেন। এ সময় বান্দরবান সদর ও পৌর এলাকার ১৮ জন, রোয়াংছড়ি উপজেলার ৩ জন, থানচিতে ৩ জন, রুমার ২ জন, নাইক্ষ্যংছড়ির ৪ জন এবং লামা উপজেলা ও লামা পৌরসভার ১০ জন এ অর্থ গ্রহণ করেন।

এ ছাড়াও জেলার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪৭টি পরিবারের প্রত্যেককে ৭ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ ২৯ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ২৮৪ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ৯ লাখ ৯৪ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয় এবং এককালীন চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ১৭২ জনকে ১২ লাখ ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
logo
kalbela.com