রাতে ঘুমাল মায়ের সঙ্গে, সকালে শিশুর মরদেহ মিলল পুকুরে

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের শাল্লায় ইউসুফ মিয়া নামের ৭ মাসের এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের ইয়াকুব নুরের (৩৪) দ্বিতীয় স্ত্রী পাখিমা আক্তারের (২২) ছেলে। 

প্রায় ২ বছর আগে শাল্লার মির্জাপুর গ্রামের ইয়াকুব নুরের সঙ্গে দিরাই উপজেলার লৌলারচর গ্রামের পাখিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর পাখিমা জানতে পারেন তার স্বামী এর আগেও একটি বিয়ে করেছেন।

বিষয়টি জানতে পারায় তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। একপর্যায়ে পাখিমা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তার বাবার বাড়ি লৌলারচরে চলে আসেন। সেখানেই জন্ম হয় ইউসুফের। পরে ইউপি চেয়ারম্যান তাদের সব ঝামেলা নিষ্পত্তি করে দিলে পাখিমা আক্তার ৭ মাসের শিশু ইউসুফকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি মির্জাপুর ফিরে যায়।

কী ঘটেছিল

গতকাল মঙ্গলবার রাতে পাখিমা আক্তার তার সন্তানকে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। মাঝরাতে জেগে দেখতে পান ইউসুফ পাশে নেই। ওই সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘুম থেকে উঠে এসে শিশুটিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা।

খবর পেয়ে আজ বুধবার সকালে শাল্লা থানার এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য শিশুর মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান। এসআই আনোয়ার জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আটগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আজ বুধবার সকালেই এ বিষয়ে আমাকে জানানো হয়। পরে আমি থানায় অবগত করেছি।’

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com