শাওনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, বাড়িতে শোকের ছায়া

যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শাওন মারা যাওয়ায় তার পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া।
যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শাওন মারা যাওয়ায় তার পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া। ছবি : কালবেলা

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শাওন (২৫) মারা যাওয়ায় তার পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া। দিশেহারা হয়ে পড়েছে হতদরিদ্র পরিবার। শাওনের আট মাসের ছেলে শাহাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত পরিবারটি।

যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শাওন মারা যাওয়ায় তার পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া।
মুন্সীগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত শাওন মারা গেছেন

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাওন। শাওন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার মুরমা এলাকার মো. শোয়াব আলী ভূঁইয়ার ছেলে। তার স্ত্রী ও আট মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

আজ শুক্রবার সাড়ে ৪টার দিকে শাওনের ময়নাতদন্তের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে তার ছোট ভাই সোহান। তবে এখনো পর্যন্ত শাওনের মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

মরদেহ বুঝে পেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শাওনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে গ্রামের বাড়ি মিরকাদিম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড মুরমা মসজিদের পাশে কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাকে।

এদিকে শাওনের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। নেমে আসে শোকের ছায়া। চারদিকে কান্নার আহাজারি। তবে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে শাওনের রেখে যাওয়া আট মাসের ছেলে শাহাত। বাবার মৃত্যুর কষ্ট বুঝতে পারছেন না। কিন্তু মা, দাদি ও নানির কান্নায় সে তাকিয়ে আছে।

এদিকে সকাল থেকে শাওনকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষায় রয়েছে স্বজনরা। একে একে শাওনের বাড়িতে আসছেন স্বজনরা।

প্রসঙ্গ, গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকালে মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার মুক্তারপুর পুরোনো ফেরিঘাট এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে নিহত শাওনসহ প্রায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। আহতদের মধ্যে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মী রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুটি মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলা দুটিতে এজাহারভুক্তসহ প্রায় এক হাজার ৩৬৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com