মুন্সীগঞ্জে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মামলা, গ্রেপ্তার ২৬

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ছবি : কালবেলা

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীসহ এক হাজার ৩৬৫ জনকে আসামি করে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। দুই মামলায় ইতোমধ্যে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার মামলা দুটি করা হয়।

পুলিশ জানায়, সরকারি অস্ত্র ও গুলি লুট এবং মোটরসাইকেল পোড়ানোর অভিযোগে ৩১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে আসামি করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাইনউদ্দিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান রতনকে এবং এখন পর্যন্ত এ মামলায় ২৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে আরেকটি মামলায় মুক্তারপুরে শ্রমিক লীগের অফিস ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ, মারধর করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ করা হয়। এই মামলাটির বাদী হন মুক্তারপুর বাগবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শ্রমিক লীগ নেতা আব্দুল মালেক।

এই মামলায় সদর উপজেলা বিএনপির আহব্বায়ক মহিউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান আসামি করা হয়। এ মামলায় ৫২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) সুমন দেব সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে জানান, বুধবারের ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। মামলা দুটিতে ইতোমধ্যে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশের এ কর্মকর্তা আরো বলেন, তবে এসব মামলায় নিরপরাধ কাউকে জড়ানো হবে না। প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় মুক্তারপুর পুরোনো ফেরিঘাট এলাকা। এই ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীসহ অন্তত অর্ধশতাধিক আহত হয়।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com