মরা গাছগুলো যেন ‘মৃত্যুফাঁদ’

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাইকারটেক হাট এবং হাটের মাঝখানে বিশালাকৃতির গাছ।
নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাইকারটেক হাট এবং হাটের মাঝখানে বিশালাকৃতির গাছ।ছবি : কালবেলা

শতবর্ষী পুরোনো ঐতিহ্যবাহী হাট কাইকারটেক। এটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তবে হাটটির মাঝখানে বিশালাকৃতির পুরোনো মরা গাছের কারণে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সামান্য বাতাসে গাছের ডালপালা ভেঙে মানুষের শরীরের ওপর পড়ে। এতে হাটের ক্রেতা-বিক্রেতা ও পথচারীরা প্রায়ই বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, অনেক দিন ধরে গাছগুলো ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। এই মরা গাছগুলো উপড়ে না ফেললে বা দ্রুত অপসারণ করা না হলে যে কোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে।

কাইকারটেক হাটের বেশ কিছু গাছ অনেক দিন থেকে মরে আছে। এখন এসব গাছ ও ডালপালা যখন-তখন ভেঙে হাটের মানুষের ওপর পড়ছে। এগুলো দ্রুত কেটে ফেলা না হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

গত সপ্তাহে ও হাটের দিন একটি ডাল হঠাৎ ভেঙে দোকানের ওপর পড়েছে। হাটে আসা আজিজুর রহমান বলেন, ‘এই হাটটি শতবর্ষী পুরোনো। নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে কেনাকাটা করতে আসে সাধারণ জনগণ। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হাট। অনেক মরা গাছের কারণে আতঙ্কের মধ্য দিয়ে এই হাটে ও সড়কে যাতায়াত করতে হয়। সামান্য বাতাসে ডালপালা ভেঙে পড়ে। কিছুদিন আগে বাজারে যাওয়ার পথে মরা ডাল ভেঙে আমার গাড়ির ওপরে পড়েছে।

‘যেন দ্রুত এই গাছগুলো কেটে নেওয়া হয়। অন্যথায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাইকারটেক হাট এবং হাটের মাঝখানে বিশালাকৃতির গাছ।
অযত্নে পড়ে আছে ঐতিহাসিক আতিয়া জামে মসজিদ

হাটের ইজারাদার বলেন, ‘এসব গাছ দ্রুত অপসারণ করে সেই জায়গায় ফলদ ও বনজ গাছের চারা লাগানো যেতে পারে। মরা গাছগুলোর কারণে প্রতিনিয়ত নানা দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তারা যেন গাছগুলো দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নেয়।’

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৌহিদ এলাহী জানান, দ্রুতই মরা গাছগুলো কেটে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com