বন্যহাতির আক্রমণ : ক্ষতিপূরণ ও সহায়তার দাবি বিএনপি নেতা প্রিন্সের

বন্যহাতি কুচপাড়া গ্রামে নেমে এলে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রতিরোধ করেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
বন্যহাতি কুচপাড়া গ্রামে নেমে এলে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রতিরোধ করেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।ছবি : সংগৃহীত

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তবর্তী ভূবনকুড়া ইউনিয়নের কুচপাড়া গ্রাম। এ এলাকায় প্রায়ই আক্রমণ করে বন্যহাতির দল। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার একজন মারাও গেছেন। এ অবস্থায় আজ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টায়  স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। মতবিনিময়ের মূল বিষয় ছিল—বন্যহাতির হাত থেকে কীভাবে রক্ষা পাওয়া যায়।

প্রিন্স কালবেলাকে বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে হাতির পাল পাহাড় থেকে নেমে লোকালয়ে এসে ফসল নষ্ট করছিল। গত বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে বন্যহাতির আক্রমণে কুচপাড়া গ্রামের হাজী নওশের আলী নিহত হন। জানতে পারি, বন্যহাতির আক্রমণে এলাকাবাসী উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তাদের উদ্বেগ দূর করতে আমরা মতবিনিময় করছিলাম। এ মতবিনিময় চলাকালেই বন্যহাতির পাল পাহাড় থেকে লোকালয়ের দিকে আসতে থাকে। এ অবস্থায় আমরা এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মশাল হাতে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।’

বন্যহাতি কুচপাড়া গ্রামে নেমে এলে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রতিরোধ করেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
কান কাটা সরকার গণদাবি উপেক্ষা করছে : প্রিন্স

হাতির পাল চলে যাওয়ার পর আবারও মতবিনিময় করা হয় বলে জানান এ বিএনপি নেতা। এ সভায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং নিহতের পরিবারকে সহযোগিতা করতে সরকারের কাছে দাবি জানান প্রিন্স। একই সঙ্গে তিনি বন্যহাতির পাল তাড়াতে সরকারের নির্লিপ্ততার প্রতিবাদ জানান। অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এ সময় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাতির পাল তাড়াতে ওই গ্রামের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের টর্চ লাইট এবং পালাক্রমে পাহাড়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

বন্যহাতি কুচপাড়া গ্রামে নেমে এলে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রতিরোধ করেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
আন্দোলনে গুলি-হত্যার দায় সরকারকে নিতে হবে : প্রিন্স

মতবিনিময়ের সময় হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হানিফ মো. শাকের উল্লাহ, আসলাম মিয়া বাবুল, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক আমজাদ আলী, আলমগীর আলম বিপ্লব, বিএনপি নেতা কাজী ফরিদ আহমেদ পলাশ, মিজানুর রহমান মিজান, আল আমিন চমক, মঈন উদ্দিন বাবুল, হোসেন আলী, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম চঞ্চল, ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান আসিফ, যুবদল নেতা এম বি রায়হান, আব্দুল মালেক সোহান, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাইমুর আরেফিন পাপন, পৌর সদস্যসচিব তাজবীর হোসেন অন্তর, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রুহুল আমিন খান, সদস্যসচিব আলীমুজ্জামান আলীন, পৌর আহ্বায়ক মেহেদী হাসান দুলাল, সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান সুজন, কৃষকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান, শ্রমিকদলের সভাপতি আবদুল গণি, সাধারণ সম্পাদক মশিউজ্জামান, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আকিকুল ইসলাম, জাসাস সভাপতি রাশেদ আহমেদ, সদস্যসচিব ফয়জুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com