বগুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মান্নানের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা

বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মান্নান আকন্দ।
বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মান্নান আকন্দ।ছবি : সংগৃহীত

বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মান্নান আকন্দের নামে আরেকটি মামলা হয়েছে। বগুড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্য ও অর্থবিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম এ মামলা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়া সদর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম।

বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মান্নান আকন্দ।
বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচন : ফের মনোনয়ন পেলেন ডা. মকবুল

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকার অ্যাডওয়ার্ড পার্কসংলগ্ন রেলওয়ের ৪ দশমিক ৪৮ একর জায়গার ওপর বগুড়া রেলওয়ে (কর্মচারী) কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে লিজ গ্রহণ করা হয়। সেখানে নির্মাণ করা মার্কেটের ঠিকাদার আবদুল মান্নান আকন্দ।

তিনি বেআইনি ও প্রতারণার মাধ্যমে তিন ব্যক্তির কাছে দোকান বরাদ্দের নামে তিন লাখ টাকা এবং মাহবুবুর রহমানের কাছ থেকে দোকানঘর পজিশন হস্তান্তরের জন্য ১৭ কোটি টাকা গ্রহণ করেন। এ ছাড়া আবদুল মান্নান আকন্দ আরও অনেকের সঙ্গে ভুয়া ও অবৈধ চুক্তিপত্রের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বগুড়া রেলওয়ের জায়গায় নির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী মার্কেটের অবৈধ স্থপনা উচ্ছেদ করা হয়। ওই স্থাপনা নির্মাণের ঠিকাদার ছিলেন আবদুল মান্নান আকন্দ। উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সেখানে বগুড়া রেলওয়ের বুকিং সহকারী রায়হান কবির ও অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে অভিযোগকারী মাহমুদুন্নবী রাসেলের ওপর হামলা চালানো হয়।

এ হামলার ঘটনায় মার্কেট কমিটির পরিচালক ও আহত রায়হান কবিরের বাবা হায়দার আলী বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার প্রধান আসামি আবদুল মান্নান আকন্দ।

পরে বুধবার সকালে ওই মামলায় আবদুল মান্নান আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার জেলা জজ আদালতে আবদুল মান্নান আকন্দের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলে বিচারক শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

মান্নান আকন্দ আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গত পৌর নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আবদুল মান্নান আকন্দ মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com