দেশে পুরুষের চেয়ে নারী বেশি : বিবিএস

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রথম ডিজিটাল ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠান।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রথম ডিজিটাল ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

দেশের মোট জনসংখ্যায় পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। বুধবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবিএস জানায়, দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ আছেন ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন। এছাড়া শুধুমাত্র ঢাকা জেলায় বসবাস করেন ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫ জন মানুষ। এর মধ্যে পুরুষ ৭৮ লাখ ৮৩ হাজার ৯৪০ জন, নারী ৬৮ লাখ ২৯ হাজার ৯৮ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী আছে ২ হাজার ১৮৫ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভাগভিত্তিক জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার অনুযায়ী প্রথম অবস্থানে আছে ঢাকা বিভাগ। এ বিভাগে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এরপর ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম। এছাড়া রংপুর বিভাগে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দশমিক ৯৮ শতাংশ, সিলেট বিভাগে দশমিক ৯৬ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দশমিক ৯৩ শতাংশ, রাজশাহী বিভাগে দশমিক ৮৬ শতাংশ ও বরিশাল বিভাগে দশমিক ৭৯ শতাংশ।

এতে আরও বলা হয়, দেশের জনসংখ্যা অনুপাতে মোট সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে ৭১ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ৮১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এছাড়া পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ, নারী শিক্ষার হার ৭২ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং তৃতীয় লিঙ্গের সাক্ষরতার হার ৫৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ। প্রাথমিক এ প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন সারা দেশে একযোগে জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম শুরু হয়। পরে গত ২১ জুন জনশুমারি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় এসব জেলায় ২৮ জুন পর্যন্ত চলে শুমারি কার্যক্রম।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com