তাকরীমের অপেক্ষায় এলাকাবাসী

হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম।
হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম।ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম (১৩) এরমধ্যেই সুপরিচিত এক নাম। সৌদি সরকারের আয়োজনে ৪২তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সে।

এরই মধ্যে দেশে পৌঁছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বরণ করে নেয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এবার তাকরীমকে বরণের অপেক্ষায় তার নিজ এলাকার মানুষেরা।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামের হাফেজ আব্দুর রহমানের ছেলে সালেহ আহমদ তাকরীম। কখন সে আসবে, কখন তাকে বরণ করা হবে, কখন তার কণ্ঠে সরাসরি শোনা হবে পবিত্র কোরআনের মধুর সেই সুর, সে আকাঙ্ক্ষায় অপেক্ষার প্রহর গুনছেন সবাই।

হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম।
সৌদি আরবে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় বাংলাদেশি হাফেজ তাকরিম
তাকরীমের প্রথম শিক্ষা আমার কাছেই শুরু। আমি দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত। সেখানেই তাকে প্রথম ভর্তি করি। পরে ঢাকার মিরপুরে ফয়েজিল কোরআন আল ইসলামিয়া দারুস সালামে ভর্তি করি তাকরীমকে। আর তাই দেশের জন্য আজ যে অবদান সে রাখল, এর পুরো কৃতজ্ঞতা তার মাদ্রাসার শিক্ষকদের।
হাফেজ আব্দুর রহমান, তাকরীমের বাবা
হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম।
মধ্যরাতে বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হাফেজ তাকরীম

এ বিষয়ে ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী কালবেলাকে বলেন, 'তাকরীম আমাদের ভাদ্রা গ্রামের এক বিশাল গৌরব। তার জন্য চেয়ে আছে ইউনিয়নবাসী। সে গ্রামে পৌঁছালে আমাদের ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নাগরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) সঙ্গে নিয়ে তাকে সম্মাননা দেওয়া হবে। এ ছাড়া তাকরীমের যে কোনো ধরনের সমস্যায় ইউনিয়ন পরিষদ পাশে থাকবে বলে জানান তিনি।

গত বুধবার রাতে সৌদি সরকারের আয়োজনে ৪২তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ১১১টি দেশের ১৫৩ জন হাফেজের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সালেহ আহমদ তাকরীম।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com