ছেলের হাতে বাবা ও নাতির হাতে নানা খুন

আটক নাতি ফরিদ মিয়া (বাঁয়ে) ও ছেলে জহিরুল ইসলাম।
আটক নাতি ফরিদ মিয়া (বাঁয়ে) ও ছেলে জহিরুল ইসলাম।ছবি : সংগৃহীত

মুক্তাগাছায় আলাদা ঘটনায় ছেলের হাতে বাবা সোবহান (৬০) ও প্রতিবেশী নাতির হাতে নানা শাহজাহান আলী (৫০) নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মুক্তাগাছার ঘোগা ইউনিয়নের কালিকাপুর ও হাতিল গ্রামে এই দুটি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলো শাহজাহান আলীর নাতি ফরিদ মিয়া ও তার বাবা হাবুল মিয়া এবং সোবহানের ছেলে জহিরুল ইসলাম।

দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, মুক্তাগাছা উপজেলার ঘোগা ইউনিয়নের হাতিল গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান আলীর সঙ্গে প্রতিবেশী নাতি ফরিদ মিয়ার পাঁচ বছর আগে তাবলিগ জামায়াতে বক্তার বক্তব্য নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই সময় নানা শাহজাহান আলী, নাতি ফরিদ মিয়ার কানে আঘাত করেন। এতে ফরিদের কানের সমস্যা দেখা দেয়।

আগের ওই ঘটনার জেরে পাঁচ বছর পর গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নানা শাহজাহান আলী ধানক্ষেত থেকে সাইকেলে বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই সময় স্থানীয় বরিল বিল নামক রাস্তায় শাহজাহানকে পেছন থেকে ক্রিকেট খেলার ব্যাট দিয়ে আঘাত করেন নাতি। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফরিদ মিয়া ও তার বাবা হাবুল মিয়াকে ওই দিন রাতেই আটক করে পুলিশ।

ওসি বলেন, একই ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে জহিরুল ইসলাম একই দিন বিকেলে লাঠির দিয়ে মাথায় আঘাত করে বাবা সোবহান আলীকে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হলে ওই রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ছেলে জহিরুলকে আটক করা করেছে পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফরিদের বাবা হাবুল মিয়াকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com