স্টেডিয়ামে মেলেনি জায়গা, মাইকেই শুনতে হচ্ছে ভাষণ

স্টেডিয়ামে জায়গা না পেয়ে মাইকের কাছেই অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।
স্টেডিয়ামে জায়গা না পেয়ে মাইকের কাছেই অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।ছবি : কালবেলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখতে ও সামনাসামনি তার বক্তব্য শুনতে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার নোহাটা থেকে এসেছেন ৬৫ বছর বয়সী আব্দুল ওয়াদুদ। তবে তিনি যশোরের শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর আগে মাঠ ভরে গেছে কানায় কানায়।

লাখো মানুষের ভিড় ঠেলে স্টেডিয়ামের গেট পর্যন্তও পৌঁছাতে পারেননি এই বৃদ্ধ। তাই আওয়ামী লীগের সভাপতির জনসভাস্থল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে শহরের দড়াটানা এলাকায় বড় পর্দার খোঁজ করেন তিনি। বড় পর্দাও না পেয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন মাইকের সামনে।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে দেখতে আসব বলে আজ কোনো কাজকর্ম করিনি। নিজের টাকা খরচ করে সমাবেশে আসার জন্য ভোরে বাড়ি থেকে বের হই। পরে জানতে পারলাম আমাদের এলাকার এমপি বীরেন শিকদার যশোরে যাতায়াতের বাসের ব্যবস্থা করেছেন। তারপর ওই বাসে চড়েই যশোর পৌঁছলাম। এমপি সাহেবের সৌজন্যে একটা গেঞ্জিও পেলাম।’

ওয়াদুদ একা নন, তার মতো হাজারও নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে এসে মাঠে জায়গা পাননি। তাই মাইকেই শুনছেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য।

স্টেডিয়ামে জায়গা না পেয়ে মাইকের কাছেই অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।
জনসভা মঞ্চে আওয়ামী লীগ সভাপতি

আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে মঞ্চে ওঠেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। এর আগে সকাল ১০টায় তিনি হেলিকপ্টারে যশোর মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটিতে এসে পৌঁছান। তার আগমন ঘিরে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে যশোর।

দুপুরে সভা শুরুর নির্ধারিত সময় থাকলেও সকাল ৭টা থেকে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। অনেকেই আসেন দল বেঁধে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে।

দুপুর ১২টার মধ্যে জনসভাস্থল পরিণত হয় জনসমুদ্রে। আশপাশের এলাকাও লোকারণ্য হয়ে ওঠে। যশোরের এই জনসভা দিয়েই শুরু হলো আওয়ামী লীগের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com