৭ নভেম্বর স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের রক্ষা কবচ : খন্দকার লুৎফর

নয়া পল্টনে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান।
নয়া পল্টনে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান।ছবি : কালবেলা

৭ নভেম্বর স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার কবচ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান। আজ বুধবার দুপুরে নগর জাগপার উদ্যোগে নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

লুৎফর রহমান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শুধু কোনো দিবস নয়। সেই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। কেননা সেদিন সিপাহি জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছিল। সুতরাং ৭ নভেম্বর হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার কবচ।’

খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে যে আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি, সেই স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। ১৯৭৫ সালে জাতীয় সংসদে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল কায়েম করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সে সময় দেশের ক্রান্তিকাল চলছিল। এমনই পরিস্থিতিতে জাতিকে নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দিয়ে আবারও ঐক্যবদ্ধ করার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়।’

লুৎফর রহমান বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হলে চলমান আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে হবে। যেমনটি নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের নেতা মরহুম শফিউল আলম প্রধান। আজ তিনি বেঁচে থাকলে আবারও রাজপথে নেতৃত্ব দিতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে নতজানু সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে আজ লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফ গুলি করে দুই বাংলাদেশিকে হত্যা করল। গণতান্ত্রিক সরকার না থাকায় বাংলাদেশের প্রতিবাদ করতে পারছে না। ফলে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। আমরা অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানাই।’

নগর জাগপার সভাপতি মো. হোসেন মোবারকের সভাপতিত্বে ও নজরুল ইসলামের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহাদাত, ডা. আওলাদ হোসেন শিল্পী, সাইফুল আলম, যুব জাগপার মীর আমীর হোসেন আমু, মো. কাওসার হামিদ, আফতাব হোসেন, মীর এজাজ হোসেন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com