‘গণতন্ত্র ফেরাতে পেশাজীবীদের এগিয়ে আসতে হবে’

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অতিথিরা।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অতিথিরা।ছবি : কালবেলা

দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে রাজনৈতিক কর্মীদের পাশাপাশি পেশাজীবীদেরও এগিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন বিভিন্ন রাজনীতিবিদসহ শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের উদ্যোগে প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভা করা হয়।

সভায় বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘দেশ বিনির্মাণে বেশি বেশি করে পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ জরুরি।’

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে সবার আগে পেশাজীবীদের এগিয়ে আসতে হবে। এ দলদাস সরকারের অধীনে কোনো পেশাজীবী তার পেশাদারিত্বের জায়গায় স্বাধীন ও নিরাপদ নন।’

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশকে বিক্রি করা গেলেও দেশপ্রেমিক পেশাজীবীদের এখনো কিনতে পারেনি। দেশের প্রয়োজনে পেশাজীবীরা আবার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করবে।’

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর বলেন, ‘গণতন্ত্র আজ গুম হয়ে গেছে, নির্বাচন নির্বাসনে গেছে। এ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সব পেশাজীবীকে এগিয়ে আসতে হবে।

সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী বলেন, ‘পেশাজীবীরা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ত্বরান্বিত করেছেন, ’৯০-এর স্বৈরাচার পতন করেছেন। সেই পেশাজীবীরা আজ সরকারের জাঁতাকলে পিষ্ঠ হয়ে দায়িত্ব ভুলতে বসেছেন।’ তিনি স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিলের আহ্বান জানান।

কবি আব্দুল হাই সিকদার বলেন, ‘সরকারের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত পচন ধরেছে। সরকার নিজেদের টেকাতে সচিবালয় থেকে শুরু করে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় লোক নিয়োগ করে পেশাজীবীদের বিতর্ক করেছে।’

পেশাজীবী অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক জাফর মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নিজামউদ্দিনের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com