চাল আমদানির এলসি খোলা যাবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

চাল আমদানির এলসি খোলা যাবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

চাল আমদানির এলসি খোলার সময় বাড়িয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে চাল আমদানির অনুমোদন পেয়েছে তারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এলসি খোলার সুযোগ পাবে। খাদ্য মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বাংলাদেশ চাল আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। অর্থাৎ অবাধ আমদানি করা যায় না। শুধু সরকার অনুমোদন দিলেই আমদানি করা যায়। এসব ক্ষেত্রে সরকার আমদানির অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি এলসি খোলা, দেশে পণ্য আনা এবং বাজারজাত করার সময়ও বেঁধে দিয়ে থাকে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়াতে সরকার বিদেশ থেকে চাল আমদানির সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু আশানুরূপ আমদানি না হওয়ায় বারবার সময় বাড়ানো হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফা এলসি খোলার সময় বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ খাদ্য মন্ত্রণালয় এলসি খোলার সময় নির্ধারণ করেছিল ২১ নভেম্বর। চালের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিদেশ থেকে আমদানির সুযোগ দিয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৪০০ প্রতিষ্ঠানকে সিদ্ধ ও আতপ মিলিয়ে প্রায় ১৪ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে গত ২২ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের ব্যবসায়ীরা ২ লাখ ৬২ হাজার ১১০ টন চাল আমদানি করেছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ৩৬০ টন। চলতি অর্থবছরের এ সময়ে সরকার আমদানি করেছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৭০ টন। ২২ নভেম্বর সরকারের কাছে চালের মজুত ছিল ১৩ লাখ ৬০ হাজার ৫২৭ টন।

গত কয়েক মাস ধরে দেশের চালের বাজারে অস্থিরতা যাচ্ছে। অসময়ে বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন কারণে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কম হয়েছে। এতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হয়েছে। আবার একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী যোগসাজশ করে চালের দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com