নিকার ও সচিব সভা হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ছবি : সংগৃহীত

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) ও সচিব সভা আগামী রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সভা দুটি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় তা পরিবর্তন করে তার কার্যালছেন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয় অনুবিভাগ) মো. রাহাত আনোয়ার কালবেলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সভা দুটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে সময় অপরিবর্তিত থাকবে। সচিবালয়ে নিকার ও সচিব সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশরীরে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সচিবালয়ের পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় নিকার এবং দুপুর ১টায় সচিব সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, নিকারের সভায় বৃহত্তর ফরিদপুরের কয়েকটি জেলা নিয়ে ‘পদ্মা’ বিভাগ এবং কুমিল্লা ও আশপাশের জেলাগুলো নিয়ে হবে ‘মেঘনা’ বিভাগ গঠনের প্রস্তাব উঠবে। নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, থানা গঠন বা স্থাপনের প্রস্তাব সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিতে (নিকার) অনুমোদিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে (আহ্বায়ক) নিকারের সদস্য হিসেবে থাকেন সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও সচিব।

কর্মকর্তারা জানান, এখন নতুন বিভাগ করার জন্য আনুষ্ঠানিক যে প্রক্রিয়া সেটি হতে যাচ্ছে। এটি হলে দেশে প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০টি।

নিকারের সভায় কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানাকে ঝাউদিয়া এলাকায় স্থানান্তর করে ‘ঝাউদিয়া থানা’ নামকরণ এবং কাউদিয়া পুলিশ ক্যাম্পকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করে ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্প’ হিসেবে নামকরণের প্রস্তাব উঠবে। এ ছাড়া সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পৌরসভা গঠন, বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কাজলা ও বোয়াইল ইউনিয়নের ‘বিরোধপূর্ণ’ অংশ বিয়োজন করে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে সংযোজন করে মাদারগঞ্জ উপজেলার সীমানা পুনর্গঠন এবং ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের প্রস্তাব উঠার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে সচিব সভায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতিকে সুসংহত রাখা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয়তার নিরিখে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারের যোগান নিশ্চিত করা এবং পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনা, সরকারি কাজে আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণ করা, সরকারি সেবা প্রদানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারবিষয়ক পরিকল্পনা এবং ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বিষয়সহ ৯টি এজেন্ডা সচিব সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com