নিরাপত্তা দিয়ে ১০ আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

হাইকোর্ট।
হাইকোর্ট।পুরোনো ছবি

কিশোরগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সদস্যকে মারধরের অভিযোগে মামলার ১০ আসামিকে নিরাপত্তা দিয়ে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আসামিরা যেন নিজেরা ওকালতনামা দাখিল ও জামিন শুনানি করতে পারে সেই সুযোগ দিতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন কিশোরগঞ্জ সদর খালের পাড় গ্রামের রাসেল মিয়া, জুবায়ের মিয়া, ফাইজুল ইসলাম, কফিল উদ্দিন, রাজিব মিয়া, রুবেল মিয়া, সোহেল মিয়া, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক ও আব্দুল কাইয়ুম।

আসামি পক্ষের আইনজীবী সামসুদ্দিন বাবুল জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে আদালত চত্বরে উকিল সালিশ ডাকা হয়। বৈঠকের এক পর্যায়ে মারধরের অভিযোগ এনে গত ১২ অক্টোবর কিশোরগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট এম আব্দুর রউফ মামলা করেন। ১২ জনকে আসামি করে কিশোরগঞ্জের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট ১০ জনকে জামিন দেন। একই সঙ্গে ছয় সপ্তাহের মধ্যে তাদের আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু বাদী প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো আইনজীবী আসামিদের পক্ষে জামিন শুনানি করতে রাজি হননি।

এ ছাড়া আসামিরা আদালতে যেতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ অবস্থায় কিশোরগঞ্জ আদালত থেকে এই মামলা অন্য জেলার আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করা হয়। শুনানিকালে হাইকোর্ট ১০ জনকে পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে কিশোরগঞ্জ আদালতে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ, বৈঠকে আবদুল্লাহ আল মামুন ও এম আব্দুর রউফের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষকে মারধর করা হয়। আবার তারাই মারধরের শিকার ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com