যাত্রাবাড়ীতে ইমরান খুন : কাউন্সিলর মাসুম মোল্লাকে গ্রেপ্তারের গুঞ্জন

যাত্রাবাড়ীর ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মাসুম মোল্লা।
যাত্রাবাড়ীর ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মাসুম মোল্লা।ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পরিবহন শ্রমিক ইমরান হোসেন হত্যা মামলার আসামি ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় সেই গুঞ্জন আরও ডালপালা ছড়িয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করেছেন।

ওই মামলার প্রধান আসামি মাসুম মোল্লা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মফিজুল আলম আজ বৃহস্পতিবার সকালে কালবেলাকে বলেন, কাউন্সিলরকে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি। অন্য কোনো সংস্থা তাকে গ্রেপ্তার করেছে কিনা, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে ওই মামলার দুই নম্বর আসামি কাউন্সিলরের ভাগ্নিজামাই উজ্জ্বল মোল্লাসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

অবশ্য কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠ সূত্র ও যাত্রাবাড়ী এলাকার লোকজন বলছেন, বুধবার রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কাউন্সিলর মাসুম মোল্লাকে তুলে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এলাকার সবার মুখে মুখে। যদিও কাউন্সিলরের পরিবারের কেউ এ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন আজ বৃহস্পতিবার সকালে কালবেলাকে বলেন, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম মোল্লাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

তিনি বলেন, ডিবি পরিচয় দিয়ে কেউ তাকে আটক করলে মিথ্যা পরিচয় দিতে পারে। তবে বিষয়টি তার জানা নেই।

এদিকে র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে র‍্যাবের কেউ আটক করেনি।

গত সোমবার রাতে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় ইমরানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরের দিন ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী পপি আক্তার বাদী হয়ে কাউন্সিলর মাসুম মোল্লাকে প্রধান আসামি করে ২২ জনের নামে মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, কাউন্সিলরের নির্দেশে ইমরানকে খুন করা হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থেকে চাঁদা তোলার জেরে ওই হত্যাকাণ্ড হয়। এজাহারে নাম থাকা আসামিরা সবাই কাউন্সিলরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
logo
kalbela.com