এক মোবাইল চুরির মামলায় যেভাবে ধরা পড়লো ৮ জন!

মোবাইল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তাকৃতরা।
মোবাইল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তাকৃতরা।ছবি: কালবেলা

ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৯ এপ্রিল। উত্তরা পশ্চিম থানার ১০ নম্বর সেক্টর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজ পড়তে যায় স্থানীয় এক ব্যক্তি। নামাজে গিয়ে মসজিদের অযুখানায় তিনি অযু করতে যান। ঠিক তখনই তার ব্যবহৃত মোবাইল সেট চুরি হয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও তার মোবাইল ফোনটি খুঁজে না পেয়ে ঘটনার ১৫ দিন পরে গত ১৬ মে উত্তরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি।

এরপর অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার বদরুজ্জামান জিল্লুর নেতৃত্বে ওই মোবাইল চুরি ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশের ( ডিএমপি’র) গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উত্তরা জোনাল টিম। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সিসি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ডিবি। পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে সেই মোবাইল চোরসহ চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৫৮টি মোবাইল সেট, একটি ল্যাপটপ এবং নগদ এক লাখ ১৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মনির হোসেন (২৮), মো. মোতাহার হোসেন (৫৫), মো. সুরুজ হোসেন (২২), মো. শাহজালাল (২৩), মো. মেহেদী হাসান (২০), কুমার সানি (২৫), মো. হৃদয় (২৫) ও শামীম ওসমান (১৯)।

এই বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু মোবাইল চোরকে নয়, চোরাই মোবাইল ফোন বিক্রয়কারীদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। কারণ এই ব্যবসায়ীদের জন্য চোর চক্র চোরাই মোবাইল বিক্রি করতে পারে। যারা চোরাই মোবাইল বিক্রি করবে তাদেরকেও প্রচলিত আইনের আওতায় গ্রেপ্তার করা হবে।

ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল চুরিসহ বিভিন্ন চুরির সাথে যুক্ত তারা। তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com