দেশ রূপান্তরের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি ডিইউজের

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের লোগো।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের লোগো।ছবি : সংগৃহীত

সংবাদ প্রকাশের সূত্র ধরে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রকাশক মাহির আলী খান রাতুল ও জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক পাভেল হায়দার চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

আজ মঙ্গলবার ডিইউজের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন এক বিবৃতিতে মামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

বিবৃতিতে ডিইউজের নেতারা বলেন, দেড় মাস আগে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রকাশক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে করা মামলা দুরভিসন্ধিমূলক। কোনো সংবাদ প্রকাশ হলেই সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা করা অপসংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের লোগো।
দেশ রূপান্তরের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের মামলা, সাক্ষী জয়-লেখক

সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা বন্ধ এবং সব মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান সাংবাদিক নেতারা। নাহলে সাংবাদিক সমাজ রুখে দাঁড়াতে বাধ্য হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

মানহানির অভিযোগে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রকাশক মাহির আলী খান রাতুল ও প্রতিবেদক পাভেল হায়দার চৌধুরীর বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার আদালতে মামলা করা হয়। ঢাকা মহানগর হাকিম শহীদুল ইসলামের আদালতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ইন্দ্রনীল দেব শর্মা বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এ ছাড়া এ মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে সাক্ষী রাখা হয়।

এদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর শুনানি শেষে আসামিদের হাজির হতে সমন জারি করেন আদালত।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ জুলাই আসামিরা দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার অনলাইন ও মুদ্রিত মাধ্যমে ‘ছাত্রলীগের পদ কোটি টাকা’ শিরোনামে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট রিপোর্ট মুদ্রণ, লিখন, প্রকাশ ও প্রচার করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ প্রাচীনতম ছাত্র সংগঠনটির সুনাম, গৌরব ও ঐতিহ্যে আঘাত করে মানহানি করেন। এভাবে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস, ঐতিহ্যের সুনাম ও সুখ্যাতিতে আঘাত করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৭ জুলাই দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক ও রিপোর্টারকে আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করার বিষয়ে ভুল স্বীকার করে ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করতে বলা হয়। যা তারা করেন নাই। তাই বাদী বাধ্য হয়ে মামলা করেন।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com