কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক রিফুয়েলিংয়ের জায়গা : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার আকাশ পথে আন্তর্জাতিক রিফুয়েলিংয়ের জায়গা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৮ মে) বেলা ১১টায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের উপরে যেহেতু আন্তর্জাতিক আকাশ পথ রয়েছে তাই কক্সবাজারের বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিষ্ঠিত করার কাজ চলমান রয়েছে। আর এই বিমানবন্দর হলে কক্সবাজার হবে আকাশ পথে আন্তর্জাতিক রিফুয়েলিংয়ের জায়গা।ছোটবেলার স্মৃতিস্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কক্সবাজার আমাদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি জায়গা ছিলো। দেশের মানুষের অধিকারের কথা বলতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে বেশিরভাগ সময় কারাবরণ করতে হয়েছে। তবে যে বছর তিনি জেলের বাহিরে থাকতেন সে বছর গুলোতে আমাদের এই কক্সবাজারে ঘোরাতে নিয়ে আসতেন। এই কক্সবাজারের নৈসর্গিক সৌন্দর্য আমাদের খুব আকর্ষণ করত। এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আন্তর্জাতিক আকাশ পথ হওয়ার কারণে কক্সবাজারের সার্বিক উন্নয়ন আমাদের লক্ষ্য।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতিসংঘের আগে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুই সমুদ্রসীমা আইন করেছিলেন। তবে ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করার পর যারা ক্ষমতায় বসেছিল তারা কখনোই সমুদ্র সীমায় যে আমাদের অধিকার আছে তা নিয়ে কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করেনি। তবে ১৯৯৬ তে আমরা সরকার গঠন করার পর এ নিয়ে কাজ শুরু করি এবং তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে। কিন্তু এরপর ২০০১ থেকে ২০০৮ এই সময়েও এই অধিকার নিয়ে কোনো কাজ করা হয়নি। পরে আমরা আবারও ক্ষমতায় এসে সমুদ্র সীমায় আমাদের সেই অধিকার সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে যাতে আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে সে ব্যবস্থা করতে চাই। তাই আমরা ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি গ্রহণ করেছি এবং এরই ভিত্তিতে উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করতে চাই।’শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতিসংঘের আগে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুই সমুদ্রসীমা আইন করেছিলেন। তবে ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করার পর যারা ক্ষমতায় বসেছিল তারা কখনোই সমুদ্র সীমায় যে আমাদের অধিকার আছে তা নিয়ে কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করেনি। তবে ১৯৯৬ তে আমরা সরকার গঠন করার পর এ নিয়ে কাজ শুরু করি এবং তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে। কিন্তু এরপর ২০০১ থেকে ২০০৮ এই সময়েও এই অধিকার নিয়ে কোনো কাজ করা হয়নি। পরে আমরা আবারও ক্ষমতায় এসে সমুদ্র সীমায় আমাদের সেই অধিকার সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করেছি।’ তিনি বলেন, ‘সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে যাতে আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে সে ব্যবস্থা করতে চাই। তাই আমরা ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি গ্রহণ করেছি এবং এরই ভিত্তিতে উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা একান্ত অপরিহার্য। এজন্য কক্সবাজারের যত্রতত্রে অপরিকল্পিতভাবে কোনো স্থাপনা না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে কক্সবাজারে আমরা অনেকগুলো প্রকল্প নিয়েছি। মহেশখালি, কুতুবদিয়াসহ দ্বীপ অঞ্চলের উন্নয়নে আমরা বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। ঠিক একইভাবে টেকনাফেও আমরা উদ্যোগ নিয়েছি যাতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং টেকনাফের সমুদ্র সৈকত যাতে আর্ন্তজাতিক মানের হয়। সেই সঙ্গে আমরা নির্দেশ দিয়েছি যাতে কক্সবাজারের উন্নয়ন অপরিকল্পিতভাবে যাতে না হয়, মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী হয়।’

তিনি বলেন, ‘এখানে ক্রিকেট ও ফুটবল স্টেডিয়ামের পাশাপাশি পুরো খেলাধুলা ব্যাপারগুলো নেওয়া হবে। যেকোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট যেন এখানে হতে পারে সেই ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে টেকনাফ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ করা হয়েছে। আগামীতে এটা চট্টগ্রাম পর্যন্ত করার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। একই সঙ্গে এখানে আমরা সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছি। এখানে সি অ্যাকুরিয়াম করার উদ্যোগও আমরা নিবো।’

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com