নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, বিদেশিদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শুক্রবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের।
বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শুক্রবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: কালবেলা

বিএনপির নালিশের ওপর ভর করে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের মাথা না ঘামানোর আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সংবিধানই বলে দেবে কীভাবে নির্বাচন হবে। বিদেশি বন্ধুদের বলব, বিএনপি যতই নালিশ করুক নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, পক্ষপাতমুক্ত ও ঐতিহাসিক। এ নিয়ে আপনাদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও অব্যাহত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিদেশিদের কাছে নালিশ করছে, লবিং করছে, টাকা ছড়াচ্ছে শেখ হাসিনাকে হটিয়ে দিবে—এটাই ষড়যন্ত্রের মূল কথা। শেখ হাসিনা বিদেশে নালিশ করতে যাননি। দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য গেছেন। বিদেশ থেকে যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাসও পেয়েছেন।

বিএনপির গুজবের কারখানার বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি গুলশানে গুজবের কারখানা চালু করেছে। এখান থেকে সারাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে, অসাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে। অনলাইনে আজগুবি মিথ্যা কথা বলছে। এ গুজবের কারখানা বন্ধ করতে হবে।

আর নয়াপল্টনে বিএনপির মিথ্যাচারের কারখানা রয়েছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, এখান থেকে তাদের গলার জোর দেখানো, বিষোদ্গার সমানে চলছে। বিএনপি পদযাত্রার আড়ালে সহিংসতা ও অগ্নিসন্ত্রাসের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুল সাহেব, যতই লাফালাফি করেন, আপনাদের আন্দোলনের দিন শেষ। মানুষ বুঝে গেছে মাজাভাঙা দল দিয়ে আন্দোলন হবে না। বিএনপি আন্দোলনের দল নয়—এটা সারাদেশে প্রমাণ হয়ে গেছে। আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনেও ব্যর্থ হবে এজন্য তারা এখন ষড়যন্ত্র করছে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসংগে ওবায়দুল কাদের বলেন, জিনিসপত্রের সাময়িক দাম বৃদ্ধির বিষয়টি শেখ হাসিনা জানেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সারাবিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি। পাকিস্তানে ৩৩ শতাংশ, আর্জেন্টিনায় শতভাগ মুদ্রাস্ফীতি। আর বাংলাদেশে ৯-এর নিচে ধরে রাখতে পেরেছেন শেখ হাসিনা।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, কামরুল ইসলাম ও মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আফজাল হোসেন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
logo
kalbela.com