আলোচনায় গ্রে ঈগল ড্রোন

আলোচনায় গ্রে ঈগল ড্রোন

ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি কামিকেজ ড্রোন নিয়ে কয়েক মাস ধরে আলোচনা বেশ তুঙ্গে। রাশিয়া মনুষ্যবিহীন এ ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের অনেক জ্বালানি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ধ্বংস করেছে অনেক বেসরকারি স্থাপনাও। অত্যাধুনিক এসব ড্রোনের ব্যবহার যুদ্ধকে ভিন্ন মাত্রা এনে দিয়েছে। এসব ড্রোনের সঙ্গে যেন পেরে উঠতে পারছে না ইউক্রেন। দেশটি এ ড্রোন মোকাবিলায় পশ্চিমাদের কাছ থেকে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন দাবি করে আসছে।

ইউক্রেন চাচ্ছে ইরানের তৈরি এসব ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের শক্তিশালী গ্রে ঈগল ড্রোন দিয়ে কিয়েভকে সাহায্য করে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ ড্রোন দেওয়ার জন্য কয়েকবার প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে ফোনে অনুরোধ জানান। বাইডেন প্রশাসন কিয়েভকে এ ড্রোন দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তেও পৌঁছেছে। কিন্তু ১৬ মার্কিন সিনেটর এক চিঠিতে বাইডেন প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এসব ড্রোন সরবরাহ করা হলে তা ভূপাতিত করা হতে পারে এবং এতে সংঘাত আরও বাড়তে পারে। শক্তিশালী গ্রে ঈগল ড্রোন কিয়েভকে সরবরাহ করার বিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেন এ ১৬ সিনেটর। উল্লেখ্য, গ্রে ঈগল ড্রোন ৮ হাজার ৮০০ মিটার (২৯ হাজার ফুট) উঁচুতে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে উড়তে পারে। এটি জেনারেল অ্যাটমিকস এমকিউ-ওয়ান প্রিডেটরের আপগ্রেড হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর জন্য জেনারেল অ্যাটমিকস অ্যারোনটিক্যার সিস্টেম দ্বারা তৈরি করা।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
kalbela.com