শেয়ারবাজারে ১৮ দিনে সূচকে যোগ হয়েছে ৯৬ পয়েন্ট

শেয়ারবাজারে ১৮ দিনে সূচকে যোগ হয়েছে ৯৬ পয়েন্ট

বছরের শুরু থেকে গেল ১৮ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচকে প্রায় ৯৬ পয়েন্ট যোগ হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্ট ও বিশ্লেষকরা বিষয়টি ইতিবাচক দেখছেন। তবে পুঁজিবাজারের সার্বিক কার্যক্রমে এখনো গতি আসেনি বলে মনে করছেন তারা। এজন্য বিদ্যমান ফ্লোর প্রাইসের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কম থাকাকে দায়ী করছেন অনেকে। আবার লেনদেনে টাকার পরিমাণ হাজার কোটির নিচে থাকায় ব্রোকারেজ হাউস মালিকরা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন বলে মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।

জানা গেছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে শেয়ারের দরপতনের সর্বশেষ সীমা বা ফ্লোর প্রাইস। গেল বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে আরোপ করা নিয়ন্ত্রক সংস্থার এ নিয়মের কবলে পড়ে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানি। ফলে লেনদেন কমতে কমতে ২০০ কোটির নিচে নেমে আসে। একপর্যায়ে বছরের শেষ দিকে ১৬৯ কোম্পানির ওপর থেকে শর্ত সাপেক্ষে ফ্লোর প্রাইস প্রথা তুলে দিলেও সেই অর্থে গতি পায়নি শেয়ারবাজার। ফলে বাজার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে একের পর এক সভা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সবার সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানায় কমিশন। এতে বাজারে কিছুটা গতি ফিরলেও জানুয়ারি মাসে লেনদেন সর্বোচ্চ ৯০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ওঠে। বর্তমানে সেটি ৬০০ কোটিতে অবস্থান করছে। তবে এ সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেল ১৮ কার্যদিবসে প্রায় ৯৬ পয়েন্ট অর্জন করে ৬ হাজার ২৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। যা বছর শুরুর দিন ১ জানুয়রি ছিল ৬ হাজার ১৯৫ পয়েন্ট।

এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ডিএসই এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশগ্রহণ করা বেশিরভাগ কোম্পানির মধ্যে শেয়ারের দাম বাড়ার চেয়ে কমেছে বেশি। এরপরও সবকটি মূল্যসূচকের বড় উত্থান হয়েছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। তবে বাজারে ক্রেতা পাচ্ছে না অর্ধেকের বেশি কোম্পানির শেয়ার।

এ সম্পর্কিত খবর

No stories found.
logo
kalbela.com