করণিক আখতার এর ছবি

মনোনয়ন সভায় মনোনীতের প্রতি

তুমি যেখানে যার প্রতিনিধি, সে-ই সেখানে তোমার মালিক কিম্বা অভিভাবক। এখানে তোমাকে প্রতিনিধি বানাতে পারলে, মনে রেখো, আমরাই তোমার অভিভাবক হয়ে থাকবো। তোমাকে অন্য কারো কাছে করুণাপ্রার্থী হওয়া থেকে মুক্ত রাখবো, এ আমাদের ঐক্যবদ্ধ শক্ত প্রতিজ্ঞা। আমাদেরকে অগ্রাহ্য ক’রে আত্মঘাতী হবার ঝুঁকি নিয়ো না।

সকাল রয় এর ছবি

অনুগল্প: প্রেমালিঙ্গম

আঁচল উঠিয়ে নিল কান্তা! দীর্ঘ সময় পাড়ি দেয়া প্রেমরূপ আজ অদৃশ্য হবে।
-এবেলা তবে পথ ছাড়ি; নিবাস তুমি বাটিতে যাও
চোখ দু’খানা তারা করে দিয়ে রইল দাড়ায়ে নিবাস; মনঘরে তখনও পাকানো ঢেউ; কেন তবে মিছি মিছি ভালোবাসা! কেন তবে কাছে আসা। অন্ধের মতো পাথরকে বন্ধু ভাবতে যদিও দোষের কিছু নেই তবুও কি আর পাথরকে গলায় বাধা যায়?

করণিক আখতার এর ছবি

মহাবিজ্ঞ প্রকাশক সম্প্রদায়ের অনুগামী করণিকা

আপনারা যে ক্যানো বুঝতে চান না!!??, --আমার মগজে ঢুকছে না। আরে ভাই!!, বাংলাদেশের প্রকাশক সম্প্রদায় বলে কথা!! লেখক আপনারা সারা জীবনে কয়খানা বই দেখেছেন বা ছুঁয়েছেন হে? কোন সাহসে যে আপনারা আমাদের গৌরবের মহাপণ্ডিত, মহাদার্শনিক, মহাজ্ঞানী, মহাবৈজ্ঞানিক, মহাহৈসাবিক, মহাতান্ত্রিক, মহাতার্কিক সংক্ষেপে মহামহামহাগুণী প্রকাশক সিণ্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলেন, আমি ভেবে পাই না। আমাদের প্রকাশকদের সম্মুখে দরোজা, মাথার উপরে সিলিংফ্যান, এছাড়া দেখবেন তেনাদের ডানে বই, বামে বই, পিছনে বই, এমনকী পায়ের নিচেও বই আর পাণ্ডুলিপি। বই বলতে পুস্তিকা থেকে শুরু করে মহাগ্রন্থ পর্যন্ত সব ধরণের বই। বইয়ের জগতে মহাবিচারক না হলে কি তারা বইময় আয়তনে থাকতেন!? আপনারা কি তাদের দ্বারে লেখকদেরকে ধন্না দিতে দ্যাখেননি? সঙ-গত কারণেই ডক্টরেটধারী অধ্যাপকদেরকেও তারা তুচ্ছজ্ঞান করার অধিকারপ্রাপ্ত।
যে লিখাটি লিখতে গিয়ে লেখককে ঘরে বাইরে গঞ্জনা সইতে হয়েছে, উন্মাদ পাগল আহাম্মক ইত্যাদি ধরনের উপাধিতে ভূষিত হতে হচ্ছে, একটা যথার্থ বাক্য বা শব্দ খুঁজতে কখনো কখনো নাওয়া খাওয়া পর্যন্ত ভুলে যেতে হচ্ছে, কেমন যেন সব গোলমেলে কীর্তিকলাপ!, --ঐ লিখাটাও যদি আমাদের মহাবিজ্ঞ মহাপ্রাজ্ঞ প্রকাশকদের কাছে নিয়ে যান তো প্রমাণ পাবেন যে, অমন চারপাঁচখানা উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা বা গল্প ওনারা চাইলেই এক বৈঠকে তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই লিখে দিতে পারেন। তেনারা এতটাই সবজান্তা যে, পাণ্ডুলিপি না-খুলেও কিম্বা প্রথম পৃষ্ঠা থেকে চারটি বাক্য পড়ে এবং শেষ পৃষ্ঠার শেষের তিনটি বাক্যের উপর চোখ বুলিয়েই ভিতরের চুরাশি পৃষ্ঠায় কোথায় কোন বাক্যটিতে ভুল আছে, দৈবজ্ঞানবলে ভেবে নিয়ে লিখাটি ছাপানোর যোগ্য হয়েছে কি-না, তা বলে দিতে পারেন।
আমরা তো মনে করি, তেনারা যদি মুদ্রণ সংশোধনের পাশাপাশি দয়ার্দ্র চিত্তে কোনো লেখকের লিখা থেকে দু’পাঁচ জোড়া বাক্যের বিবর্তন ঘটিয়ে দেন তো, সেই লেখকের উচিত হবে, নমস্য ঐ প্রকাশকের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। ...

করণিক আখতার এর ছবি

স্থিতি স্থাপক

কখনো আমি যদি আমার ওপর হাতেগোণা কয়েকটা সন্ত্রাসীর সুসংগঠিত আক্রমণকে আমার দোষের শাস্তি হিসেবে স্বীকার করতে না-চাই, তাহলে আমার জন্যে স্মরণীয়, কিছুকাল আগে সমাজের ঐ কয়েকটা কুলাঙ্গার যখন আমার নীরবতার প্র

অভিষেক মোহাম্মদ এর ছবি

এক ও দুই ০১

মধ্যরাত
শহুরে শৃগাল
হল দলছুট অ সহিষ্ণু-আত্মা
চার্চের ঘণ্টা থেমে গেছে
নিদ্রাহীন

নিদ্রাহীন
নিষ্প্রভ নিষ্প্রাণ
হামাগুড়ি দেয় চেতনা
নারীবাদীরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তখন
সহচরী...

পৃষ্ঠাসমূহ

Subscribe to কালবেলা RSS