মোস্তফা'র 'গুরু লালন'

কালবেলা এর ছবি
ছবি: 
গুরু লালন প্রচ্ছদ

কবি মোস্তফা'র "গুরু লালন" বইটির প্রচ্ছদের একটা অংশ থেকে: "পূর্ববঙ্গে জমিদারী দেখাশুনা করতে করতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লক্ষ্য করেছিলেন বাউলদের চলাফেরা চালচলন। পদ্মার তীরে একতারা হাতে গান গেয়ে গেয়ে তাদের আনাগোনা। লক্ষ টাকার খাজনার হিসাব করতে করতেই তিনি লিখেছিলেন তাদেরকে নিয়ে কবিতা। "দেখেছি একতারা হাতে, চলেছে গানের ধারা বেয়ে, মনের মানুষকে সন্ধান করবার গভীর নির্জন পথে" । লেখক পাশ্চাত্যের ব্যস্ত ও বিলাসী জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে ও মনে পোষণ করেন বাউল প্রেম। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও লিখেন সংসার বিবাগী এক বাউলের জীবনী। বইয়ের বাক্য বিন্যাসে আছে একটি শৈল্পিক ভাব। দুই বাক্যের মাঝখানে শিল্পী যখন থামেন, তখন তার দুতারা যে কথা কয়, সে কথা শুনতে কান ও মন উভয়ই লাগে। দুই বাক্যের মাঝখানে অনেক জায়গায় নিহিত আছে বহু না বলা কথা, বাক্য বিন্যাসের মুনশিয়ানায় লেখক এঁকে রেখেছেন সমাজের অনেক ছবি। গভীর মনোনিবেশকারী পাঠকের জন্য যা অতিরিক্ত মাখন।