কালবেলা এর ব্লগ

কালবেলা এর ছবি

সামরিক আদালতে প্রদত্ত কর্নেল তাহেরের জবানবন্দি

আপনাদের সামনে দণ্ডায়মান এই মানুষটি, যে মানুষটি আদালতে অভিযুক্ত- সেই একই মানুষ এ দেশের মুক্তি ও স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার জন্য রক্ত দিয়েছিল, শরীরের ঘাম ঝরিয়েছিল। এমনকি নিজের জীবন পর্যন্ত পণ করেছিল। এটা আজ ইতিহাসের অধ্যায়। একদিন সেই মানুষটির কর্মকাণ্ড আর কীর্তির মূল্যায়ন ইতিহাস অতি অবশ্যই করবে। আমার সকল কর্মে, সমস্ত চিন্তায় আর স্বপ্নে এই দেশের কথা যেভাবে অনুভব করেছি তা এখন বোঝানো সম্ভব নয়।
কালবেলা এর ছবি

৭ই মার্চ, আমাদের জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু'র ভাষণ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ ও স্বাধীনতার ঘোষণা

আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই যে, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাচারি, আদালত-ফৌজদারি, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

কালবেলা এর ছবি

পাক-দালাল

পাকিস্তানিপন্থী বাঙালি নেতারা ও প্রচারমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধকে কোনোমতেই মেনে নিতে পারে না। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও পাঞ্জাবি শাসকগোষ্ঠী ও সমরনায়করা বাঙালির হাতে ক্ষমতা না দিয়ে ২৫শে মার্চ থেকে নির্বিচারে গণহত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণ করে পূর্ব-বাংলাকে দখলে রাখতে চায়। দল হিসেবে শুধু জামায়াতে ইসলামিই মুক্তিযোদ্ধের বিরোধিতা করে না, বরং রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী গড়ে তুলে। ওরা পাকিস্তানি সৈন্যদের পথঘাট চিনিয়ে দেয় এবং মুক্তিবাহিনী বা মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ও বুদ্ধিজীবীদের নির্বিচারে হত্যা করে। বাঙালি রমণী পাকিস্তানি সৈন্যদের কাছে সরবরাহ করার দায়িত্বও অকৃত্রিম আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে। তারা ও তাদের সংবাদ-মাধ্যম বাঙালির জাতীয় জীবনে এক নতুন অধ্যায় রচনা করে। তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার বিপক্ষশক্তি হিসেবে কঠিন সংগ্রামের আহবান জানায়। পাক-দালাল ও তাদের সংবাদ-মাধ্যমের কর্মকা-ের (এপ্রিল-আগস্ট ১৯৭১) একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে দেওয়া হল...

কালবেলা এর ছবি

অচল পত্র -পার্থসারথি চৌধুরী

আচার্য্য জগদীশ চন্দ্র বসু নাকি একদা গাছের প্রাণ-স্পন্দন শোনতে পেলেন। ছোটবেলায় আমাদের কত মুখস্থ করতে হয়েছিল, “গাছেরও প্রাণ আছে”। যথা সময়ে যথাযথ উত্তর নিতে না পারায় স্যারদের হাতে কত যে নিগৃহীত হয়েছি তার বিস্তৃত বর্ণনার প্রয়োজন নেই। কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে বড় হয়ে গেছি আর বুঝেছি ভাবাবেগ একজন কবিকে মানায় বটে কিন্তু একজন বৈজ্ঞানিককে একেবারেই মানায় না। স্যার জগদীশ চন্দ্র যা‘ই বলুন আসলে গাছের কোনো প্রকার ‘প্রাণ-টান’ নেই।

কালবেলা এর ছবি

কবি সরদার ফারুক এর ১০টি কবিতা দীপালি অপেরা’র পাণ্ডুলিপি থেকে

আসছে একুশে বই মেলায় কবি সরদার ফারুকের কাব্য গ্রন্থ 'দীপালি অপেরা' প্রকাশিত হবে। পাণ্ডুলিপি থেকে এখানে ১০টি কবিতা আপনাদের জন্য...

কালবেলা এর ছবি

জিন (গল্প) -আব্দুর রউফ চৌধুরী

ধূসর আকাশে কঠিন পাথরের মতো আধখানি চাঁদ নেহাত কর্তব্যের খাতিরে মেঘের ভারি লেপের নিচ থেকে তার অলস মুখটি একটুখানি বের করেই, ক্লান্তি দূর হয়নি বলে, আবার ঢুকে পড়ল পেতনীর ঘনকালো চুলের ভেতর। মেঘ ও অন্ধকার স্রোতের মতো ভেসে চলেছে পৃথিবীর উপর দিয়ে; এই মেঘান্ধকারাচ্ছনড়ব পরিবেশে জোনাকি পোকা তো ছাই, তারাগুলোর আত্মপ্রকাশ করাই কঠিন। মেঘান্ধকার দিব্যি ফুরফুরে হাওয়ার ওপর ভর দিয়ে আসমানজমিন সাঁতরে তালগাছের মাথা খুঁজে চলেছে, আর গোপাটের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নিঃসঙ্গ কলাগাছটি নীরবে আঁকড়ে রয়েছে মাটি ও পানি।

Subscribe to RSS - কালবেলা এর ব্লগ