সমসাময়িক

অভিষেক মোহাম্মদ এর ছবি

চাই ইলাং ইলাং

দিন এমনি এমনি গিলেই

রাত হয় কি?

বা রাতের কোন প্রহর

বাদ দিয়েই কি

হয় ভোর?

 

প্রশ্নবাক্য দেখেই 

চিৎপটাং মেরো না

 

কেরিয়ার চাই,

অভিষেক মোহাম্মদ এর ছবি

আম্মাজান বেগম খালেদা জিয়ার কাছে খোলা চিঠি

প্রিয় দেশের আম্মাজান বেগম খালেদা জিয়া,

করণিক আখতার এর ছবি

আচরণে ধার্মিক

Sany Saha এর ছবি

’ভাঙ্গা মন জোড়া লাগে না’

কালবেলা এর ছবি

পাক-দালাল

পাকিস্তানিপন্থী বাঙালি নেতারা ও প্রচারমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধকে কোনোমতেই মেনে নিতে পারে না। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও পাঞ্জাবি শাসকগোষ্ঠী ও সমরনায়করা বাঙালির হাতে ক্ষমতা না দিয়ে ২৫শে মার্চ থেকে নির্বিচারে গণহত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণ করে পূর্ব-বাংলাকে দখলে রাখতে চায়। দল হিসেবে শুধু জামায়াতে ইসলামিই মুক্তিযোদ্ধের বিরোধিতা করে না, বরং রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী গড়ে তুলে। ওরা পাকিস্তানি সৈন্যদের পথঘাট চিনিয়ে দেয় এবং মুক্তিবাহিনী বা মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ও বুদ্ধিজীবীদের নির্বিচারে হত্যা করে। বাঙালি রমণী পাকিস্তানি সৈন্যদের কাছে সরবরাহ করার দায়িত্বও অকৃত্রিম আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে। তারা ও তাদের সংবাদ-মাধ্যম বাঙালির জাতীয় জীবনে এক নতুন অধ্যায় রচনা করে। তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার বিপক্ষশক্তি হিসেবে কঠিন সংগ্রামের আহবান জানায়। পাক-দালাল ও তাদের সংবাদ-মাধ্যমের কর্মকা-ের (এপ্রিল-আগস্ট ১৯৭১) একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে দেওয়া হল...

করণিক আখতার এর ছবি

প্রসঙ্গ : হরতালের বৈধতা

নিশ্চয়ই, হরতাল, কোনো দলোগণের দলোতান্ত্রিক অধিকার নয়। জনগণের নাম ভাঙ্গিয়ে যখন বিভিন্ন দলোগণ হরতালকে ‘জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার’ বোলে বোলে, বোলচালে হরতালের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, আমরা যারা বলি, ‘জ

Sayak Chakraborty (সায়ক) এর ছবি

খাদ্য ও আমরা

আমাদের চারপাশে কিছু শকুনের দল
করণিক আখতার এর ছবি

মহাবিজ্ঞ প্রকাশক সম্প্রদায়ের অনুগামী করণিকা

আপনারা যে ক্যানো বুঝতে চান না!!??, --আমার মগজে ঢুকছে না। আরে ভাই!!, বাংলাদেশের প্রকাশক সম্প্রদায় বলে কথা!! লেখক আপনারা সারা জীবনে কয়খানা বই দেখেছেন বা ছুঁয়েছেন হে? কোন সাহসে যে আপনারা আমাদের গৌরবের মহাপণ্ডিত, মহাদার্শনিক, মহাজ্ঞানী, মহাবৈজ্ঞানিক, মহাহৈসাবিক, মহাতান্ত্রিক, মহাতার্কিক সংক্ষেপে মহামহামহাগুণী প্রকাশক সিণ্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলেন, আমি ভেবে পাই না। আমাদের প্রকাশকদের সম্মুখে দরোজা, মাথার উপরে সিলিংফ্যান, এছাড়া দেখবেন তেনাদের ডানে বই, বামে বই, পিছনে বই, এমনকী পায়ের নিচেও বই আর পাণ্ডুলিপি। বই বলতে পুস্তিকা থেকে শুরু করে মহাগ্রন্থ পর্যন্ত সব ধরণের বই। বইয়ের জগতে মহাবিচারক না হলে কি তারা বইময় আয়তনে থাকতেন!? আপনারা কি তাদের দ্বারে লেখকদেরকে ধন্না দিতে দ্যাখেননি? সঙ-গত কারণেই ডক্টরেটধারী অধ্যাপকদেরকেও তারা তুচ্ছজ্ঞান করার অধিকারপ্রাপ্ত।
যে লিখাটি লিখতে গিয়ে লেখককে ঘরে বাইরে গঞ্জনা সইতে হয়েছে, উন্মাদ পাগল আহাম্মক ইত্যাদি ধরনের উপাধিতে ভূষিত হতে হচ্ছে, একটা যথার্থ বাক্য বা শব্দ খুঁজতে কখনো কখনো নাওয়া খাওয়া পর্যন্ত ভুলে যেতে হচ্ছে, কেমন যেন সব গোলমেলে কীর্তিকলাপ!, --ঐ লিখাটাও যদি আমাদের মহাবিজ্ঞ মহাপ্রাজ্ঞ প্রকাশকদের কাছে নিয়ে যান তো প্রমাণ পাবেন যে, অমন চারপাঁচখানা উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা বা গল্প ওনারা চাইলেই এক বৈঠকে তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই লিখে দিতে পারেন। তেনারা এতটাই সবজান্তা যে, পাণ্ডুলিপি না-খুলেও কিম্বা প্রথম পৃষ্ঠা থেকে চারটি বাক্য পড়ে এবং শেষ পৃষ্ঠার শেষের তিনটি বাক্যের উপর চোখ বুলিয়েই ভিতরের চুরাশি পৃষ্ঠায় কোথায় কোন বাক্যটিতে ভুল আছে, দৈবজ্ঞানবলে ভেবে নিয়ে লিখাটি ছাপানোর যোগ্য হয়েছে কি-না, তা বলে দিতে পারেন।
আমরা তো মনে করি, তেনারা যদি মুদ্রণ সংশোধনের পাশাপাশি দয়ার্দ্র চিত্তে কোনো লেখকের লিখা থেকে দু’পাঁচ জোড়া বাক্যের বিবর্তন ঘটিয়ে দেন তো, সেই লেখকের উচিত হবে, নমস্য ঐ প্রকাশকের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। ...

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

হুজুগে ধ্বংস, হুজুগে বাঁচা

সেদিন বাজারে একজন পরিচিত ভদ্রলোক জিজ্ঞাসা করলেন, ‘শুনেছেন এবছর ২১শে ডিসেম্বর নাকি

পৃষ্ঠাসমূহ

Subscribe to সমসাময়িক