কবিতা

পাগল দেবা এর ছবি

প্রতিদিন এখন প্রেমে পরি- পাগল দেবা

প্রতিদিন এখন প্রেমে পরি।
সকাল থেকে রাত,
রাত থেকে দিন-
প্রতিটিমুহূর্তে।

চোখে যা দেখি, তাইতো মনে আঁকি
তাই নিয়ে চলে আমার প্রেমের নিত্যনতুন কাহিনী।
 

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

কঠিন হিমানী Hard Frost

পানিকে ডেকে বললো হিমানী, ‘‘দাঁড়াও তুমি!’’
আর্দ্র তুষারকে করে আচ্ছাদিত, গড়ে ঝলমলে নোনাভূমি
স্রোতঃস্বিনী আর তাদের পুলেরা যায় থেমে
নিঃসৃত জলবিন্দুসব সূচ্যগ্র বরফখণ্ডে জমে

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

একটি স্বপ্ন

একদা স্বপ্নে এক (দেখেছিনু তোমায় একটিবারের তর)
পাশাপাশি দাঁড়ালাম আমরা, অবারিত এক মাঠের ’পর
দ্রুত-ডানার পায়রা দু’টো, উড়লো তখন মাথার ওপর

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

আধুনিক স্বাধীনতা

স্বাধীনতা!
তুমি টেবিলের ’পর গুচ্ছ গুচ্ছ তাজাফুলের বাহার
তুমি অসংকোচে দম্ভ প্রকাশের সুউচ্চ চেয়ার
তুমি ঝলমলে রঙিন কাপড়ে সাজানো মঞ্চ
দালাল-চাটুকার-নেতার ভাষণ-প্রপঞ্চ

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

নব সভ্যতা

বিশ্ব এখন এগিয়ে চলেছে, এগিয়ে চলেছি আমরা
ক্রমেই গাঢ়তর হচ্ছে আমাদের গায়ের চামড়া।
এগিয়ে চলেছি এক নবতর সভ্যতার দিকে
যে সভ্যতার জোয়ার উঠেছে আজ চারদিকে।

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

পতিত-ফুল

কুঁড়ি থেকে মুকুল, তারপর ফুল
ক্রমেই বিকশিত অসীম মমতায়
পাপড়িগুলো ডানা মেলে আমার, বাউল বাতাসের ছোঁয়ায়
সমুদ্রের উত্থাল ঢেউয়ের মতোই মনকে দোলায়

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

ওরে বীর বাঙালি

ওরে বীর বাঙালি-

মুক্ত-স্বাধীন দেশ আনতে
তোমরা দিলে তাজা প্রাণ

কবি মোস্তফা এর ছবি

সুচিত্রা সেন

হয়তো তোমাকে নিয়ে লেখেনি কবিতা,
কেউ; বাংলা সিনেমার কিম্বদন্তী রাণী।
কত নামে যে চিনি তোমাকে, ওগো কৃষ্ণা।
মামার বাড়ী কৃষ্ণা তুমি, তুতুর রমা,

মোমির মিলন খান এর ছবি

মন সওদাগর---মোমির মিলন খান

ও আমার মনের সওদাগর
ভেবে দেখিস দিবি কারে হীরা-মোতি-জহর
কোথায় গেলে পাবি তুই আসল বাজারদর
হিসাব এত সহজ নয়কো-বড়ই আতান্তর।

মোমির মিলন খান এর ছবি

আকাশছাদ---মোমির মিলন খান

নাই বা থাকা হলো এক ছাদের নীচে

নাই বা বসা হলো বারান্দার কার্নিশে

রয়েছি তো এক আকাশের তলে

আজো ভিজি একই বৃষ্টির জলে

বয়ে দিগন্তরেখায়

পৃষ্ঠাসমূহ

Subscribe to কবিতা