জামায়াত জোটে ‘জট’

জামায়াত জোটে ‘জট’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। দফায় দফায় আলোচনার পরও আসন সমঝোতার পরিবর্তে জোটে ‘জট’ তৈরি হয়েছে। টানাপোড়েন এক রকম চরমে গিয়ে পৌঁছেছে। জামায়াতের সঙ্গে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির
তেহরানে সাময়িকভাবে বন্ধ হলো ব্রিটিশ দূতাবাস
তেহরানে সাময়িকভাবে বন্ধ হলো ব্রিটিশ দূতাবাস
কাজ নেই, তবু আছে কোম্পানি
কাজ নেই, তবু আছে কোম্পানি
বায়ুদূষণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ঢাকা
বায়ুদূষণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ঢাকা
২০ জানুয়ারি বিদেশিদের নিয়ে এক টেবিলে বসছে বিএনপি
২০ জানুয়ারি বিদেশিদের নিয়ে এক টেবিলে বসছে বিএনপি
আংশিক মেঘলা ঢাকার আকাশ, তাপমাত্রা কত?
আংশিক মেঘলা ঢাকার আকাশ, তাপমাত্রা কত?
ইরান সংকটে আন্দোলনের ভেতরে যুদ্ধের ছায়া
ইরান সংকটে আন্দোলনের ভেতরে যুদ্ধের ছায়া
  • গণতন্ত্রের উত্তরণ, সামাজিক সংহতি ও জাতীয় অঙ্গীকার

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে তপশিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তপশিল অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫-এর আলোকে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এখন দেশব্যাপী চলছে নির্বাচনী হাওয়া। শহর, নগর, গ্রাম, পাড়া ও মহল্লায় চলছে এক এবং অভিন্ন আলোচনা। নির্বাচনী মৌসুমে সব দলীয় প্রার্থী এবং জাতীয় নেতারা অতি সাধারণ বেশে জনতার কাতারে নেমে আসে। সাধারণ ভোটাররা প্রার্থীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে, বুক মিলিয়ে ও কুশল বিনিময়ে প্রশান্তি লাভ করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একটি দলনিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা হয় এবং

    গ্রিনল্যান্ড কেন চান ট্রাম্প

    বিশ্ব মানচিত্রে গ্রিনল্যান্ড একটি বিশাল অথচ জনবিরল ভূখণ্ড। আয়তনে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ, কিন্তু জনসংখ্যা মাত্র ৫৬ হাজার। ভৌগোলিকভাবে এটি উত্তর আমেরিকার অংশ হলেও রাজনৈতিকভাবে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। বরফে ঢাকা এ দ্বীপ দীর্ঘদিন ধরেই বৈশ্বিক রাজনীতির প্রান্তে ছিল। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন, তখন হঠাৎ করেই এই দ্বীপ বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রে চলে আসে। প্রশ্ন জাগে, কেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে চান, এর পেছনে কি শুধু ব্যবসায়িক মানসিকতা, নাকি এর চেয়েও গভীর ভূরাজনৈতিক হিসাব আছে? গ্রিনল্যান্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচয় থেকেই শুরু করা যাক। দ্বীপটির প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা সারা বছর বরফে ঢাকা। এখানকার আদিবাসী

    বর্তমান বিশ্বের এক বিধ্বংসী রোগ ‘ট্রাম্পবাদ’

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পত্রিকা ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ ২০২১ সালে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শাসনামলের প্রথম মেয়াদকালে মোট ৩০ হাজার ৫৭৩টি ‘মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্য দিয়েছিলেন। অর্থাৎ, প্রেসিডেন্ট থাকাকালে টানা চার বছর নিজ দেশের নাগরিক এবং বিশ্ববাসীর কাছে প্রতিদিন গড়ে ২১টি করে মিথ্যা কথা বলতেন তিনি। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় ফিরে এসেও তিনি সেই অভ্যাসে একচুলও ছেদ টানেননি। এখনো নিয়মমাফিক তিনি আমেরিকান জনগণকে এবং গোটা বিশ্বকে বিভ্রান্ত করে চলেছেন। জনজীবনে সত্য ও সততার প্রতি এ প্রেসিডেন্টের নির্লজ্জ অবহেলার দেখা মিলছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা রাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে প্রাণঘাতী গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার ঘৃণ্য প্রতিক্রিয়ায় আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এ আচরণ। এ ঘটনা কেন্দ্র করে
  • পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ

    আজ ১৪ জানুয়ারি। এই দিনে ঐতিহাসিক পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের শুরু হয়। এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং রক্তক্ষয়ী ঘটনা। ১৭৬১ সালের ১৪ জানুয়ারি দিল্লির উত্তরে পানিপথের প্রান্তরে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে একপক্ষে ছিল মারাঠা সাম্রাজ্য এবং অন্যপক্ষে ছিল আফগানিস্তানের শাসক আহমদ শাহ আবদালির (দুররানি) নেতৃত্বে একটি সম্মিলিত বাহিনী। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মোগল সাম্রাজ্যের পতনের সুযোগে মারাঠারা ভারতে তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। তারা উত্তর ভারতের বিশাল এলাকা দখল করে নেয়। সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে থাকে দিল্লির রাজনীতিতে। অন্যদিকে, আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালি ভারতের পাঞ্জাব অঞ্চলে তার প্রভাব বজায় রাখতে ছিলেন তৎপর। মারাঠাদের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা আবদালির

    জোটের রাজনীতিতে নানা সমীকরণ

    প্রচলিত ধারায়, বাংলাদেশে ভোটের মৌসুম মানেই জোটের তোড়জোড়, টানাপোড়েন, ভাঙা-গড়া, মান-অভিমান। এ যেন বিবাহ-শাদির ব্যাপার। অথচ এবার অন্যরকম প্রত্যাশা ছিল। সেই আশায় গুড়েবালি। পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি নতুন দলও গড্ডলিকা প্রবাহে। ভিন্ন অবস্থানের চেয়ে ভিড়ের বাসে ওঠার মতো জোটের বৃত্তে প্রাপ্তির কসরতে একবারে গলদঘর্ম। আর সবই চলছে সনাতনী তরিকায়। এ ক্ষেত্রে নতুন বন্দোবস্তের ছিটেফোঁটাও নেই। অথচ জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এবার ভিন্ন কিছু প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। জুলাইয়ের পর যে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সুযোগ ও সম্ভাবনা ছিল এবং যে স্বচ্ছ অর্থনৈতিক কাঠামো গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, তাও জোট গঠনে দলগুলোর মননে থাকার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না। বরং, জোটের সীমানায় আসন

    শেষ শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের আগমনী বার্তা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মুহূর্ত আছে, যেগুলো শুধু সময়ের সাক্ষ্য নয়—বরং একটি জাতির আবেগ, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতিফলন। বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল তেমনই এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শেষ বিদায় ছিল না; এটি ছিল একজন আপসহীন নেত্রীর প্রতি জাতির শ্রদ্ধা, গণতন্ত্রের মায়ের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীকের প্রতি নিঃশব্দ কিন্তু দৃঢ়চেতা সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। এই জনসমুদ্র কোনো প্রশাসনিক নির্দেশে সমবেত হয়নি, কোনো রাজনৈতিক প্রণোদনায় মিলিত হয়নি, কোনো ভয়ভীতি কিংবা চাপের ফলেও একত্রিত হয়নি। এটি ছিল মানুষের হৃদয়ের আকুতি, দেশনেত্রীর দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রতি সম্মান এবং ইতিহাসের কাছে নিজেদের অবস্থান জানান
  • নির্বাচনে বিএনপি একাই ২৪০ আসনে বিজয়ী হবে

    কিশোরগঞ্জ থেকে ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। ২০০৭ সালের দিকে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। প্রায় আট বছর কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন বর্ষীয়ান এ নেতা। কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে দুবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জ জেলার মুজিব বাহিনীর প্রধান ছিলেন তিনি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট একাই ন্যূনতম ২৪০ আসনে বিজয়ী হবে বলে দাবি করেছেন ফজলুর রহমান। কালবেলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন

    দ্বৈত পরীক্ষা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র এক মাস বাকি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়া একটি বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং তার সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট শুধু ক্ষমতা নির্ধারণের প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের মাধ্যমে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক ঐতিহাসিক উপলক্ষ। এ দ্বৈত আয়োজন দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। প্রথমত, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হওয়া জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার শক্তিশালী প্রকাশ। সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে আর গণভোটের মাধ্যমে কোনো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বা সাংবিধানিক বিষয়ে সরাসরি মতামত দেবে।

    জেমস জয়েস

    আইরিশ ঔপন্যাসিক, কবি এবং সাহিত্য সমালোচক জেমস জয়েস আধুনিক বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যে তিনি যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন, যার প্রভাব বিশ্বসাহিত্যে বিদ্যমান। জেমস জয়েস ১৮৮২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন। তার অধিকাংশ লেখালেখি ডাবলিনকে কেন্দ্র করে হলেও, জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি কাটিয়েছেন প্যারিস, ত্রিয়েস্তে এবং জুরিখে। তার প্রথম উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ ‘ডাবলিনার্স’-এ অত্যন্ত নিপুণভাবে তার শহরের মধ্যবিত্ত জীবনের স্থবিরতা-আধ্যাত্মিক দৈনদশা ফুটিয়ে তুলেছেন। জয়েসের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো সাহিত্যে ‘চেতনার প্রবাহ’ কৌশলের সফল প্রয়োগ। তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘আ পোর্ট্রেট অব দ্য আর্টিস্ট অ্যাজ আ ইয়ং ম্যান’-এ (১৯১৬) তিনি একজন তরুণ শিল্পীর আত্মিক ও বৌদ্ধিক বিকাশের চিত্র তুলে ধরেছেন। তবে
  • ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ এএম
    এক জরিপে নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি। অন্য জরিপে বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। আপনি কী মনে করছেন?

    এক জরিপে নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি। অন্য জরিপে বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। আপনি কী মনে করছেন?

    • ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি
    • বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
    • কোনোটাই না
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৪,১৬২ জন
    মোট ভোটারঃ ৪,১৬২
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

টাইব্রেকারে বোনোর দৃঢ়তায় ফাইনালে মরক্কো

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনা মধ্যে আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান

সেই পরিচালকের পদত্যাগ দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, বিসিবির আশ্বাসেও গলছে না মন

দায়ের আঘাতে আহত বিড়াল, থানায় অভিযোগ

১৫ জানুয়ারি : কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে 

যেসব ফল নিয়মিত খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে

বিক্ষোভকারী এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান

৭৮টি ঘুমের ওষুধ খেয়েও কীভাবে বেঁচে আছেন দেবলীনা

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

তেহরানে সাময়িকভাবে বন্ধ হলো ব্রিটিশ দূতাবাস

১০

চট্টগ্রামে প্রায় এক লাখ পোস্টাল ভোট, প্রভাব রাখবে গণভোটেও

১১

বিবাহবার্ষিকীতে ডিভোর্স লেটার উপহার পেয়েছিলেন সেলিনা জেটলি

১২

এবার কোপা থেকেও রিয়ালের লজ্জার বিদায়

১৩

প্রকৃতির অলংকার অনিন্দ্যসুন্দর প্রজাপতি রতন

১৪

বায়ুদূষণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ঢাকা

১৫

সেলস অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন

১৬

৭ ডিগ্রির ঘরে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা, বইছে শৈত্যপ্রবাহ

১৭

আমান আযমীকে কী বললেন তারেক রহমান 

১৮

পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ মাঝখানে দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে : মুন্না 

১৯

৫০০ টাকার জন্য খুন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

২০
জাল টাকার অভিযান ঘিরে ডিবি টিমে দ্বন্দ্ব
পুরান ঢাকার ওয়ারীতে একটি ফ্ল্যাটে জাল টাকা উদ্ধারের অভিযান নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার তেজগাঁও বিভাগে দুটি পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। অভিযানে থাকা দলটি বলছে, ওই বিভাগের
একান্ত সাক্ষাৎকারে ফজলুর রহমান / নির্বাচনে বিএনপি একাই ২৪০ আসনে বিজয়ী হবে
কিশোরগঞ্জ থেকে ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। ২০০৭ সালের দিকে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। প্রায় আট বছর কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। বিএনপির
সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ
সংবিধানে বলা আছে—প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এই ঘোষণাই বাংলাদেশের রাষ্ট্রদর্শনের ভিত্তি। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়ায় সেই ক্ষমতার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। দেশের অধিকাংশ জনগণ মনে করে, রাষ্ট্র বা
অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি
দেশের শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরের জেলা নওগাঁ। এ জেলার উৎপাদিত ধান-চাল ও বিভিন্ন ফসল দিয়ে দেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা মিটে থাকে। কিন্তু দিন দিন কমে যাচ্ছে ফসল ফলানো কৃষি জমি।
বায়ুদূষণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ঢাকা
বায়ুদূষণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ঢাকা
জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকার বাতাসও দূষিত। সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে ঢাকার বায়ুমান কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এ তথ্য জানা যায়। ২৭১ স্কোর নিয়ে আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে রাজধানী ‘ঢাকা’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। একই সময় ২১৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কিরগিজস্তানের শহর ‘বিশকেক’। আর ২০৮ স্কোর নিয়ে এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের শহর ‘করাচি’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। আইকিউএয়ার স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা আইকিউএয়ার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর। ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বায়ুদূষণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।
১ ঘণ্টা আগে

পোস্টাল ব্যালটের ভাঁজে ‘ধানের শীষ’, যা বলল ইসি

১৩ ঘণ্টা আগে

শিক্ষানবিশ ৯৬ এএসপিকে ৬ মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণের জন্য বদলি

১৩ ঘণ্টা আগে

আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা

১৫ ঘণ্টা আগে

আবারও আসছে শৈত্যপ্রবাহ, থাকবে যত দিন

১৬ ঘণ্টা আগে

লিবিয়ায় বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ

১৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামে প্রায় এক লাখ পোস্টাল ভোট, প্রভাব রাখবে গণভোটেও
চট্টগ্রামে প্রায় এক লাখ পোস্টাল ভোট, প্রভাব রাখবে গণভোটেও
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে এবার প্রবাসীসহ ৯৫ হাজারের বেশি ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছে চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে।   নির্বাচন-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল নির্ধারণে চট্টগ্রামে আসনগুলোতে পোস্টাল ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, তা আলোচনা চলছে। তবে কিছু আসনে এই ভোট ফল নির্ধারণের নিয়ামক হয়েও ওঠতে পারে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী এবারের সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ভোটার সংখ্যা ৬৬ লাখ ৮৫ হাজার ১২৫, গত নির্বাচনে যা ছিল ৬৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯২৫। এবার মোট ভোটারের ৩৪ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫ জন পুরুষ এবং ৩১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯১ জন নারী। পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন ৯৫ হাজার ২৪৬ জন ভোটার। গত ৫ জানুয়ারি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন শেষ হয়। নিবন্ধিত ভোটাররা ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নিজ আসনের পছন্দের প্রার্থীকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। পরদিন থেকেই ভোট দেওয়া ব্যালট ডাকযোগে ফেরত পাঠানো যাবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসনভিত্তিক প্রার্থী তালিকা, নাম ও প্রতীক দেখে ব্যালট পেপারে ‘টিক’ চিহ্ন দিয়ে ভোট দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির আগে ব্যালট না পৌঁছালে ওই ভোট গণনায় ধরা হবে না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এ. জি. এম. নিয়াজ উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার যে উদ্যোগ, আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। প্রবাসীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমাদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠায়। কিন্তু তারা জনপ্রতিনিধি নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে না। এবার সরকার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। প্রবাসীরা নির্বাচনে ভালোই প্রভাব রাখবে। প্রবাসী ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় অনেক আসনে তারা ফ্যাক্টর হয়েও দাঁড়াতে পারেন। ফলাফল নির্ধারণে তারা ভূমিকা রাখতে পারেন। যেমনটা আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে দেখেছি। তবে পোস্টাল ব্যালটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালট ভোটারের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, ভোটটা ভোটার দিতে পারছে কি না এ বিষয়টা নজরদারি করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। অন্যথায় ইতিবাচক উদ্যোগটা ভোটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি দেশের ভেতরে তিন শ্রেণির ভোটার নিবন্ধন করেছেন। তারা হলেন—নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররাও। চট্টগ্রামের আসনভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৩০১ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধন করেছেন। সর্বনিম্ন নিবন্ধন হয়েছে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে, যেখানে নিবন্ধন করেছেন ৩ হাজার ২০১ জন ভোটার। এবার ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট’ দেওয়ার জন্য নির্বাচনী আইনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ছাড়া এবারের নির্বাচনে ভিন্নতা আছে। নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এবং কারাবন্দিদের পাশাপাশি এবারই প্রথম প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি ভোটাররা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে ভোটারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার  জন্য অনেকই নিবন্ধন করলেও তাদের সবাই ভোট দেবেন, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত গণভোট দিতে পারবে ভোটারা। পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটাররা এই ভোট দেওয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন। গণভোটের ফলাফলেও পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণভোটের চূড়ান্ত ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যেসব আসনে পোস্টাল বেশি, সেখানে এই ভোট ফলাফলকে প্রভাবিত করার আশঙ্কা আছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, যেভাবে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাতে কয়েকটি ধাপ আছে। এটা অনেকটা ব্ল্যাক বক্সের মতো। এখানে কিছুটা স্বচ্ছতার ঘাটতি ও কারসাজির অভিযোগ ওঠার ঝুঁকিও আছে। প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ব্যালট পাঠানো হয়েছে। কেউ কেউ প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ভোট দিয়ে দিচ্ছেন, এমনটাও শোনা যাচ্ছে। ইসির আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এর আগে জানিয়েছিলেন, আগে হাতে পাওয়া এই ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষা করা ভোটারের দায়িত্ব। কেউ গোপনীয়তা লঙ্ঘন করলে তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক করা হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
আমান আযমীকে কী বললেন তারেক রহমান 
আমান আযমীকে কী বললেন তারেক রহমান 
মনোনয়নবঞ্চিত শরিকদের যথাযথ মূল্যায়নের আশ্বাস তারেক রহমানের
মনোনয়নবঞ্চিত শরিকদের যথাযথ মূল্যায়নের আশ্বাস তারেক রহমানের
বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
চাঁদপুর-৪ / বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
আমি বাবার মতো কাজ করতে চাই: রবিন
আমি বাবার মতো কাজ করতে চাই: রবিন
সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত নিরাপদ দেশ গড়তে তরুণদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে : হাবিব
সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত নিরাপদ দেশ গড়তে তরুণদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে : হাবিব
এনসিপির নির্বাচন পর্যবেক্ষক টিমের নেতৃত্বে হুমায়রা-তুহিন
এনসিপির নির্বাচন পর্যবেক্ষক টিমের নেতৃত্বে হুমায়রা-তুহিন

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

দেশের বাজারে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকায় বিক্রি হবে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ হাজার ৬২৪ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকায়। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৭ম বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস, রেকর্ড গড়েছে রুপাও

চলমান ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ে কম মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নতুন ইতিহাস গড়েছে। একই সঙ্গে রুপার দামও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, বুধবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৩৩ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়ায়। দিনের এক পর্যায়ে দাম সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৪২ ডলারে পৌঁছায়, যা নতুন রেকর্ড। ফেব্রুয়ারিতে ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারও শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৪০ দশমিক ৯০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। একই দিনে রুপার বাজারেও বড় উল্লম্ফন দেখা যায়। স্পট সিলভারের দাম ৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৯০ ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক প্রত্যাশার চেয়ে কম হওয়ায় সুদহার কমানোর সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ ও রুপার মতো নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সুদহার কমানোর পক্ষে আবারও অবস্থান নিয়েছেন। ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। তাঁদের ধারণা, চলতি বছর সুদহার কমলে স্বর্ণের দাম আরও বাড়তে পারে। এদিকে অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। প্লাটিনামের দাম ৪ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

দেশের বাজারে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় বিক্রি হবে। সর্বশেষ সোমবার (১২ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

শেয়ার শূন্য পাঁচ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারা কোন প্রেক্ষাপটে শেয়ার কিনেছেন, সেটা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, এই পাঁচ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি শেয়ারহোল্ডারদের। বললেই তো হবে না, এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যা বলছি, আমানতকারীরা টাকা পাবেন, এটা খুবই সরল হিসাব। যার টাকা জমা আছে, তিনি টাকা পাবেন। আর শেয়ারধারীরা শেয়ার কিনেছেন কোন পটভূমিতে—বাজারদরে (মার্কেট প্রাইস) কিনেছেন, শেয়ারধারীরা মালিক হতে চেয়েছেন।’ ৫ আগস্টের আগে এই পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন যারা অডিট করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই। সেটা দেখা হচ্ছে। যাই হোক, এখন সব কথা বলা যাবে না। ভেনেজুয়েলা ও ইরানে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এতে জ্বালানি তেলের দামে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে; সে বিষয়ে সরকার কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন প্রশ্ন করা হলে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জ্বালানির ব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদি একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। জ্বালানি তো আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ। জ্বালানি যদি আমরা এনসিওর না করতে পারি, লোকাল প্রোডাকশন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জ্বালানির দুটি দিক আছে—পাওয়ার এবং এনার্জি। ওই দুটি দিকে একটা কমপ্রিহেনসিভ করা হয়েছে। আমাদের নিজস্ব অফশোর ড্রিলিং, তারপরে কয়লার ব্যবহারটা কীভাবে করব। মধ্যপাড়া কয়লাটা আছে, সেটা হার্ড রক। এগুলো একটা কমপ্রিহেনসিভ ব্যবস্থা করা হয়েছে। পে-স্কেলের বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, কমিশনের ২১ সদস্য বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছেন এবং খুব শিগগির তারা সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেবেন। কমিশনের কাজ নিরবচ্ছিন্ন চলছে। বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেউ লিখিতভাবে, কেউ সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। সব দিক বিবেচনা করেই সুপারিশ তৈরি করা হচ্ছে।
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শেয়ার শূন্য পাঁচ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

‘শেয়ার শূন্য ৫ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারা কোন প্রেক্ষাপটে শেয়ার কিনেছেন, সেটা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, এই পাঁচ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি শেয়ারহোল্ডারদের। বললেই তো হবে না, এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যা বলছি, আমানতকারীরা টাকা পাবেন, এটা খুবই সরল হিসাব। যার টাকা জমা আছে, তিনি টাকা পাবেন। আর শেয়ারধারীরা শেয়ার কিনেছেন কোন পটভূমিতে—বাজারদরে (মার্কেট প্রাইস) কিনেছেন, শেয়ারধারীরা মালিক হতে চেয়েছেন।’ ৫ আগস্টের আগে এই পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন যারা অডিট করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই। সেটা দেখা হচ্ছে। যাই হোক, এখন সব কথা বলা যাবে না। ভেনেজুয়েলা ও ইরানে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এতে জ্বালানি তেলের দামে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে; সে বিষয়ে সরকার কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন প্রশ্ন করা হলে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জ্বালানির ব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদি একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। জ্বালানি তো আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ। জ্বালানি যদি আমরা এনসিওর না করতে পারি, লোকাল প্রোডাকশন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জ্বালানির দুটি দিক আছে—পাওয়ার এবং এনার্জি। ওই দুটি দিকে একটা কমপ্রিহেনসিভ করা হয়েছে। আমাদের নিজস্ব অফশোর ড্রিলিং, তারপরে কয়লার ব্যবহারটা কীভাবে করব। মধ্যপাড়া কয়লাটা আছে, সেটা হার্ড রক। এগুলো একটা কমপ্রিহেনসিভ ব্যবস্থা করা হয়েছে। পে-স্কেলের বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, কমিশনের ২১ সদস্য বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছেন এবং খুব শিগগির তারা সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেবেন। কমিশনের কাজ নিরবচ্ছিন্ন চলছে। বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেউ লিখিতভাবে, কেউ সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। সব দিক বিবেচনা করেই সুপারিশ তৈরি করা হচ্ছে।  
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
‘শেয়ার শূন্য ৫ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’
দায়ের আঘাতে আহত বিড়াল, থানায় অভিযোগ
দায়ের আঘাতে আহত বিড়াল, থানায় অভিযোগ
চট্টগ্রামে প্রায় এক লাখ পোস্টাল ভোট, প্রভাব রাখবে গণভোটেও
চট্টগ্রামে প্রায় এক লাখ পোস্টাল ভোট, প্রভাব রাখবে গণভোটেও
৭ ডিগ্রির ঘরে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা, বইছে শৈত্যপ্রবাহ
৭ ডিগ্রির ঘরে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা, বইছে শৈত্যপ্রবাহ
২৬৭ বছর ধরে চলছে গুটি কাড়াকাড়ি!
ময়মনসিংহের ঐতিহ্য / ২৬৭ বছর ধরে চলছে গুটি কাড়াকাড়ি!
প্রকৃতির অলংকার অনিন্দ্যসুন্দর প্রজাপতি রতন
প্রকৃতির অলংকার অনিন্দ্যসুন্দর প্রজাপতি রতন
পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ মাঝখানে দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে : মুন্না 
পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ মাঝখানে দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে : মুন্না 
৫০০ টাকার জন্য খুন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
৫০০ টাকার জন্য খুন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
গ্যাস সংকটে বেশি বিপাকে চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা
গ্যাস সংকটে বেশি বিপাকে চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনা মধ্যে আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইরান তার আকাশপথ বন্ধ করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে আংশিক সেনা সরিয়ে নিয়েছে। পেন্টাগন ইরানের সেনা ঘাঁটি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জমা দিয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে। ইরানের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যারা রাজপথে নাশকতা ও অগ্নিসংযোগে জড়িত তাদের দ্রুততম সময়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনা স্থগিত করেছে। সত্তরের দশকের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মুখোমুখি। অর্থনৈতিক সংকট থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে, কিন্তু প্রতিদিনই বহু সাধারণ মানুষ গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছেন। নিহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করেছে যে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো হামলা হলে পাল্টা আঘাত আসবে। সৌদি আরবের আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানে হামলা করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে রিয়াদ। যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়াতে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সীমিত কূটনৈতিক যোগাযোগও এখন বন্ধ হয়ে গেছে। পূর্বনির্ধারিত আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে কারণ ইরান বলেছে ক্রমাগত সামরিক হুমকির কারণে শান্তিপূর্ণ আলোচনার পরিবেশ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরান ইস্যুতে প্রতিবাদ দেখানো হয়েছে। জার্মানির বার্লিনে হাজার হাজার প্রবাসী ইরানি আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে পদযাত্রা করেছেন। অন্যদিকে তেহরানে ব্রিটিশ দূতাবাসের বাইরে সমর্থকরা বিক্ষোভ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী স্লোগান দিয়েছেন। সূত্র : CNBC
বিক্ষোভকারী এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান
বিক্ষোভকারী এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান
তেহরানে সাময়িকভাবে বন্ধ হলো ব্রিটিশ দূতাবাস
তেহরানে সাময়িকভাবে বন্ধ হলো ব্রিটিশ দূতাবাস
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বৈঠক: মতবিরোধের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বৈঠক: মতবিরোধের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি
ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
ডেনমার্ককেই বেছে নিল গ্রিনল্যান্ড অনড় ট্রাম্পও
ডেনমার্ককেই বেছে নিল গ্রিনল্যান্ড অনড় ট্রাম্পও
গাজা গণহত্যায় অস্ত্র-অর্থ দিয়ে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছে আরব আমিরাত
গাজা গণহত্যায় অস্ত্র-অর্থ দিয়ে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছে আরব আমিরাত
৭৮টি ঘুমের ওষুধ খেয়েও কীভাবে বেঁচে আছেন দেবলীনা
৭৮টি ঘুমের ওষুধ খেয়েও কীভাবে বেঁচে আছেন দেবলীনা
বিবাহবার্ষিকীতে ডিভোর্স লেটার উপহার পেয়েছিলেন সেলিনা জেটলি
বিবাহবার্ষিকীতে ডিভোর্স লেটার উপহার পেয়েছিলেন সেলিনা জেটলি
জীবনকে এক সুতোয় গেঁথেছি
জীবনকে এক সুতোয় গেঁথেছি
দিশার প্রেমের গুঞ্জন
দিশার প্রেমের গুঞ্জন
ছুটিতে পরী
ছুটিতে পরী
অসুস্থ শবনম ফারিয়া
অসুস্থ শবনম ফারিয়া
বিবাহবার্ষিকীর দিনেই জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে তালাকের নোটিশ
বিবাহবার্ষিকীর দিনেই জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে তালাকের নোটিশ
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
সেই পরিচালকের পদত্যাগ দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, বিসিবির আশ্বাসেও গলছে না মন
সেই পরিচালকের পদত্যাগ দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, বিসিবির আশ্বাসেও গলছে না মন
এবার কোপা থেকেও রিয়ালের লজ্জার বিদায়
এবার কোপা থেকেও রিয়ালের লজ্জার বিদায়
টাইব্রেকারে বোনোর দৃঢ়তায় ফাইনালে মরক্কো
টাইব্রেকারে বোনোর দৃঢ়তায় ফাইনালে মরক্কো
টাইব্রেকারের চাপের মুহূর্তে আবারও অটল প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন মরোক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনো। তার বীরত্বেই গোলশূন্য ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে নাইজেরিয়াকে ৪–২ ব্যবধানে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্বাগতিক মরক্কো। রাবাতে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে। সেখানেই মরক্কোর হয়ে নায়ক বনে যান বোনো। নাইজেরিয়ার স্যামুয়েল চুকউয়েজে ও ব্রুনো অনিয়েমায়েচি–এর নেওয়া দুটি শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। টাইব্রেকারের শুরুতে অবশ্য নাইজেরিয়ার গোলরক্ষক স্ট্যানলি নওয়াবালি মরক্কোকে চাপে ফেলেছিলেন। প্রথম শটে হামজা ইগামানের প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেটি কাজে আসেনি। মরক্কোর হয়ে পঞ্চম ও নির্ধারণী শটটি সফলভাবে জালে পাঠান ইউসুফ এন-নেসিরি, নিশ্চিত করেন ফাইনালের টিকিট। এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ২২ বছর পর আফকনের ফাইনালে উঠল মরক্কো। সর্বশেষ ২০০৪ সালে তারা ফাইনাল খেলেছিল, যেখানে তিউনিসিয়ার কাছে শিরোপা হাতছাড়া হয়। এবার স্বাগতিকদের লক্ষ্য—পাঁচ দশক পর মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার। রোববারের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ সেনেগাল। অন্যদিকে হতাশ নাইজেরিয়াকে খেলতে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। শনিবার তারা মুখোমুখি হবে মিশর–এর। সেমিফাইনালের ঠিক আগে টাইব্রেকারে নামার মুহূর্তে মাঠ ছাড়েন নাইজেরিয়ার তারকা ফরোয়ার্ড ভিক্টর ওসিমেন। ম্যাচজুড়ে গোলের সামনে তাকে ভুগতে দেখা যায়। পুরো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা দল হয়েও এই ম্যাচে আক্রমণে নিষ্প্রভ ছিল সুপার ঈগলসরা। ম্যাচের ১২০ মিনিটে উল্লেখযোগ্য সুযোগ ছিল হাতে গোনা। প্রথমার্ধের বড় একটা সময় কেটে যায় কোনো স্পষ্ট আক্রমণ ছাড়াই। মরক্কোর আশরাফ হাকিমি–র নেওয়া এক কর্নার থেকে পাঁচ গজের মধ্যে সুযোগ পেয়েছিলেন আয়ুব এল কাবি, কিন্তু সময়মতো শট নিতে পারেননি। পরে ইসমাইল সাইবারির দূরপাল্লার প্রচেষ্টা সামাল দেন নওয়াবালি। নাইজেরিয়ার সুযোগ ছিল আরও কম। বক্সের ভেতরে বল পেলেও প্রথম স্পর্শে ব্যর্থ হন ওসিমেন। মরক্কোর ডিফেন্ডার নায়েফ আগুয়ের্দ–এর একটি হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে গেলে তখনই বোঝা যাচ্ছিল—ম্যাচের নিষ্পত্তি সম্ভবত টাইব্রেকারেই হবে। শেষ পর্যন্ত সেটাই হলো, আর টাইব্রেকারের মঞ্চে আবারও নায়ক হয়ে উঠলেন ইয়াসিন বোনো।
বিতর্কিত নাজমুলকে আলটিমেটাম
বিতর্কিত নাজমুলকে আলটিমেটাম
মিচেলের অপরাজিত শতকে ভারতকে হারাল নিউজিল্যান্ড
মিচেলের অপরাজিত শতকে ভারতকে হারাল নিউজিল্যান্ড
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X